• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
৩৫ টাকা দরে ধান ও ৪৯ টাকায় চাল সংগ্রহ করবে সরকার, লক্ষ্য ৮ লাখ টন ‘ফেরিটিন ফেস’ কি? চেহারা দেখে কি রক্তশূন্যতা শনাক্ত করা যায়? ভালো বেতনে চাকরি আর উপযুক্ত পাত্রে বিয়ের আশ্বাস, পড়েন পাচারকারীদের ফাঁদে গাজীপুরে আবারও শ্রমিক বিক্ষোভ, পুলিশের টিয়ার শেল নিক্ষেপ নদীর ওপর ভাসমান লোহাপট্টির টিকে থাকার লড়াই এমবিবিএস-বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা ১৮ ডিসেম্বর, পুনঃপরীক্ষার শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন নিয়ম মানেন না এনএপিডির মহাপরিচালক কমিটি নেই, নেছারাবাদে বিএনপির তিন গ্রুপে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন আড়াই শ বছরের বাণিজ্যের সাক্ষী সমবায় সমিতিগুলোর বেশিরভাগই দুর্বল হয়েছে দুর্নীতির কারণে: রাষ্ট্রপতি

‘ফেরিটিন ফেস’ কি? চেহারা দেখে কি রক্তশূন্যতা শনাক্ত করা যায়?

Reporter Name / ১৭ Time View
Update : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬

স্বাস্থ্য ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি নতুন স্বাস্থ্যবিষয়ক ট্রেন্ড বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে, যেখানে ব্যবহারকারীরা কেবল নিজেদের মুখাবয়ব ও চেহারার পরিবর্তন দেখে শরীরে আয়রনের ঘাটতি বা রক্তশূন্যতা শনাক্ত করার দাবি করছেন। এ ধরনের ভিডিওগুলোতে টিকটক বা ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্মে লাখ লাখ ভিউ এবং প্রতিক্রিয়া জমা হচ্ছে। ভিডিও নির্মাতারা দাবি করছেন যে, চোখের নিচের বর্ণ, ত্বকের ফ্যাকাশে ভাব কিংবা মুখের বিশেষ কিছু লক্ষণ দেখে সহজেই বলে দেওয়া সম্ভব কার রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম রয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই ধরনের কনটেন্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ফলে স্বাস্থ্যসচেতন মহলে নানা ধরনের আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং পুষ্টিবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞরা এই ধরনের ধারণার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছেন। তাদের মতে, কোনো ধরনের বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া শুধুমাত্র খালি চোখে মানুষের মুখাবয়ব পর্যবেক্ষণ করে রক্তশূন্যতা বা আয়রনের ঘাটতি নিশ্চিত করা কদাচিৎ সম্ভব এবং এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। চিকিৎসকরা ব্যাখ্যা করেছেন যে, রক্তশূন্যতার কারণে ত্বকে ফ্যাকাশে ভাব দেখা দিতে পারে ঠিকই, কিন্তু ক্লান্তি, জিনগত বৈশিষ্ট্য বা অন্য কোনো শারীরিক অসুস্থতার কারণেও চেহারায় একই ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। ফলে কেবল বাহ্যিক রূপ দেখে সুনির্দিষ্ট রোগ নির্ণয় করা অবৈজ্ঞানিক এবং তা ভুল চিকিৎসার দিকে নিয়ে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন যে, রক্তশূন্যতা শনাক্তকরণের একমাত্র নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হলো চিকিৎসকের পরামর্শে ল্যাবরেটরিতে রক্ত পরীক্ষা বা সিবিআই টেস্ট করানো। রক্তে হিমোগ্লোবিনের সঠিক মাত্রা এবং সিরাম ফেরিটিনের পরিমাণ না জেনে কেবল অনুমানের ওপর ভিত্তি করে আয়রন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা বা ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করা অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে। শরীরে অতিরিক্ত আয়রন জমে গেলে তা লিভারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের মারাত্মক ক্ষতিসাধন করতে পারে। তাই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর না করে যে কোনো শারীরিক সমস্যায় সরাসরি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত বলে তারা পরামর্শ দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com