• সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ বা জব্দ কীভাবে হয়, প্রতিকার কী আছে? ধুনটে ফসলি জমিতে পুকুর খননের নামে মাটি বিক্রি, ব্যবসায়ীকে জরিমানা এবার গাইবান্ধায় পরীমনিকে বয়কট বন্ধু নির্বাচনে কেন সতর্কতা জরুরি ইসলামে নৈতিকতার শিক্ষা শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ড্র করে টিকে রইল ভুটান ‘বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল খেলুক, আমাদের বাড়ি পাঠিয়ে দিন’ মাঠে না নেমেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ নলডাঙ্গায় কৃষকদের জন্য চালু হলো মিনি কোল্ডস্টোরেজ চাঁদপুরে উন্মুক্ত স্থানে নির্মাণসামগ্রী রাখায় ব্যবসায়ীকে লাখ টাকা জরিমানা ইরানের অস্ত্র সরবরাহ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন টাস্কফোর্স, এবার স্থলসীমান্ত ও কাস্পিয়ান সাগরে নজর

ধুনটে ফসলি জমিতে পুকুর খননের নামে মাটি বিক্রি, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

Reporter Name / ১৬ Time View
Update : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ফসলি জমির টপসয়েল বা উপরিভাগের মাটি কাটার অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে বড় অঙ্কের জরিমানা করা হয়েছে। সম্প্রতি উপজেলার চৌকিবাড়ি ইউনিয়নের পাঁচথুপি এলাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অবৈধভাবে মাটি কাটার সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে উপস্থিত হন স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। এ সময় ফসলি জমি নষ্ট করে মাটি কাটার দায়ে অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বেলকুচি গ্রামের বাসিন্দা মাসুদ পারভেজ নামের এক ব্যক্তি পাঁচথুপি গ্রামের একটি কৃষি জমিতে পুকুর খননের অনুমতি নেওয়ার কথা বলে গোপনে মাটি কেটে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর আল মনছুর শোয়াইব। এ সময় থানা পুলিশের একটি দল তাকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে এবং ঘটনাস্থল থেকে মাটি কাটার বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আইন অমান্য করে ফসলি জমি কাটার অপরাধে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মাসুদ পারভেজকে সত্তর হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। একই সঙ্গে নির্ধারিত এই জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়। ঘটনাস্থলেই অভিযুক্ত ব্যক্তি জরিমানার পুরো অর্থ নগদ পরিশোধ করায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের কারাদণ্ড থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে ভবিষ্যতে কৃষিজমি থেকে আর কখনো মাটি কাটবেন না মর্মে ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে একটি মুচলেকা নেওয়া হয়। এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর আল মনছুর শোয়াইব গণমাধ্যমকে জানান, কৃষিজমি রক্ষায় প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। অসাধু ব্যবসায়ীরা যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশ সুরক্ষায় মাটি কাটার মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com