• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
কুড়িয়ে পাওয়া টাকার মালিকের খোঁজে মাইকিং টেক্সটাইল শ্রমিকের খাজা বই লিখে কত টাকা পাচ্ছেন, অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা প্রশ্ন কোচের পাথরের ব্যবসা ছেড়ে কৃষি উদ্যোক্তা মনিরুজ্জামান, অনাবাদি জমিতে গড়েছেন সমন্বিত খামার মেঘনার বুকে ১৭ কেজির কাতলা, বিক্রি হলো ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় ৭ নভেম্বর ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে বিএনপির দ্বিচারিতা আছে: হাসনাত বৃষ্টি হওয়ার সময় পড়ার দোয়া রাসেল লজ অবসায়নে আপিল বিভাগের যুগান্তকারী রায় মানুষ যখন ন্যায়বিচার পায় না তখন নিজেরাই প্রতিরোধ শুরু করে: নাহিদ ইসলাম কেয়ামতের ছোট ৫ আলামত: নবীজির দৃশ্যমান ভবিষ্যদ্বাণী নবীনবরণ অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

পাথরের ব্যবসা ছেড়ে কৃষি উদ্যোক্তা মনিরুজ্জামান, অনাবাদি জমিতে গড়েছেন সমন্বিত খামার

Reporter Name / ১৩ Time View
Update : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে পাথরের ব্যবসা করে আসলেও সময়ের পরিবর্তনে নতুন এক পথ বেছে নিয়েছেন মনিরুজ্জামান নামের এক উদ্যোগী ব্যক্তি। প্রথাগত ব্যবসার লাভজনক ক্ষেত্র ছেড়ে তিনি পুরোপুরি মনোনিবেশ করেন কৃষিখাতে। মূলত কোনো ধরনের পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই তিনি অনাবাদি ও পতিত জমিগুলোকে উৎপাদনের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর এই সাহসী পদক্ষেপে একসময় অবহেলিত পড়ে থাকা জমিগুলো এখন সবুজে শ্যামলে ভরে উঠেছে এবং দেশের কৃষিখাতে এক নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে তিনি প্রায় ২৫ বিঘা জমির ওপর একটি সমন্বিত কৃষিখামার গড়ে তোলেন। এই বিশাল খামারে ঐতিহ্যবাহী ফসলের পাশাপাশি আধুনিক ও লাভজনক বিভিন্ন কৃষিপণ্যের চাষাবাদ করা হচ্ছে। জমির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে তিনি খামার ব্যবস্থাপনায় আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রয়োগ করেছেন। এর ফলে প্রতি বিঘায় ফলন যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনি উৎপাদনের মানও অনেক উন্নত হয়েছে।

সমন্বিত এই খামারটিতে ফসল চাষাবাদের পাশাপাশি মৎস্য চাষ এবং গবাদিপশু পালনের সুব্যবস্থা রাখা হয়েছে। একটি খাতের বর্জ্য অন্য খাতের সম্পূরক খাদ্য বা সার হিসেবে ব্যবহারের মাধ্যমে তিনি এখানে চক্রাকার অর্থনীতির এক দারুণ উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। মাছ, হাঁস-মুরগি, গরু এবং বিভিন্ন শাকসবজির সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই খামারটি অল্প সময়ের মধ্যেই এলাকার মানুষের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। স্থানীয় বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে এই খামারটি গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

মনিরুজ্জামানের এই সফলতার গল্প আশপাশের এলাকার অনেক তরুণ ও উদ্যমী মানুষকে কৃষিকাজে উদ্বুদ্ধ করছে। অনেকেই এখন তাঁর কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে অনাবাদি জমিতে খামার গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং আমদানি নির্ভরতা কমাতে এ ধরনের সমন্বিত খামার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা পেলে এমন উদ্যোগ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আরও বড় পরিসরে বিস্তার লাভ করতে পারবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com