• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

ঐতিহ্যের শিকড়েই বাংলাদেশের ফ্যাশনের ভবিষ্যৎ

Reporter Name / ১২ Time View
Update : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক: দেশের ফ্যাশন শিল্পকে বিশ্বমঞ্চে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে নিজস্ব ঐতিহ্য, দেশীয় কারুশিল্প এবং মৌলিক সৃজনশীলতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন বিশিষ্ট ডিজাইনার ও উদ্যোক্তারা। তাঁরা মনে করেন, বিদেশি সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণ না করে আমাদের হাজার বছরের সংস্কৃতি ও হস্তশিল্পকে আধুনিক ডিজাইনের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এই সমন্বিত উদ্যোগই কেবল বৈশ্বিক ফ্যাশন বাজারে বাংলাদেশের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারে।

আন্তর্জাতিক ফ্যাশন বাজারের প্রতিযোগিতায় নিজেদের টিকিয়ে রাখতে সুনির্দিষ্ট কৌশল গ্রহণের তাগিদ দিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানান, কেবল খণ্ডিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব নয়, এর জন্য প্রয়োজন গভীর প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণা ও সুপরিকল্পিত কর্মপদ্ধতি। দেশীয় ফ্যাশন হাউজগুলোকে যুগোপযোগী করে তুলতে নতুন প্রজন্মের মেধাবী তরুণদের এই খাতের সঙ্গে যুক্ত করার পাশাপাশি দক্ষ কারিগর তৈরির ওপর জোর দিতে হবে।

আমাদের সমৃদ্ধ তাঁতশিল্প, ঐতিহ্যবাহী জামদানি, নকশিকাথা এবং দেশীয় পোশাকের বুননশৈলী বিশ্ববাসীর নজর কাড়ার বিশাল ক্ষমতা রাখে। উদ্যোক্তাদের মতে, সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা এবং আধুনিক বিপণন ব্যবস্থার অভাব দূর করা গেলে এই খাতের অপার সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ নেবে। আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ট্রেন্ডের সঙ্গে দেশীয় সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটিয়ে নতুন ধারার পোশাক তৈরির এখনই উপযুক্ত সময়।

সরকার ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের যৌথ অংশগ্রহণে দেশের ফ্যাশন শিল্পকে একটি কাঠামোগত রূপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। কারিগরদের জীবনমান উন্নয়ন, কাঁচামালের সহজলভ্যতা নিশ্চিতকরণ এবং তরুণ ডিজাইনারদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে এই শিল্প দেশের অর্থনীতিতে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারবে। পরিশেষে, দেশীয় ঐতিহ্যের সঠিক চর্চা ও প্রচারই বাংলাদেশের ফ্যাশন শিল্পকে টেকসই ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com