• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
৭ নভেম্বরের চেতনায় জাতীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের দাম বেড়ে ৩২ ডলার, ভর্তুকি দিতে হয়েছে ৪৭ হাজার কোটি টাকা: জ্বালানিমন্ত্রী সরকার কর্তৃত্ববাদী শাসনের দিকে যাওয়ার সব আয়োজন পূর্ণ করেছে: জামায়াত আমির ‎জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: ৬ ঘণ্টা টোল ছাড়াই চলবে এক্সপ্রেসওয়ে ইসলামের নামে রাজনীতি করছে, অথচ ইশতেহারে ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্ৰমন্ত্রী অস্বস্তিতে থেকে দিন শেষ বাংলাদেশের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে পার্শ্ববর্তী দেশের উসকানি টের পাওয়া যায়: রিজভী লস অ্যাঞ্জেলেসের নতুন মেয়র নিথ্যা রমন কে এবং তার সঙ্গে জোহরান মামদানির তুলনা কেন? ‘জেদ ছিল গোল দিয়ে প্রমাণ করার’ জাতীয় চার নেতার নামে থাকা কোস্ট গার্ডের জাহাজের নাম পরিবর্তন

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

Reporter Name / ১৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে বিদেশে অবস্থানরত এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া নিয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করা হয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন যে তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কোনো ধরনের সাধারণ পাসপোর্ট কিংবা ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না। কূটনৈতিক ও আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

সম্প্রতি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলকে বিমানবন্দর থেকে বিদায় জানানোর পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন তিনি। এ সময় দ্বিপক্ষীয় নানা সম্পর্কের পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে দেশে ফেরানোর বিষয়টি আলোচনায় আসে।

হুমায়ুন কবির স্পষ্ট করে উল্লেখ করেন যে ভারত সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতাতেই শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে। যেহেতু তিনি দেশের আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, তাই সাধারণ কোনো নথিপত্রের মাধ্যমে তাঁর ফেরার সুযোগ নেই। দুই দেশের মধ্যকার আইনি কাঠামোর মধ্য দিয়েই তাঁকে বিচারের মুখোমুখি করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

এছাড়াও চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন কৌশলগত ইস্যু নিয়েও কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। বাংলাদেশ, চীন ও মিয়ানমারকে নিয়ে পরিকল্পিত ত্রিপক্ষীয় করিডোর বাস্তবায়িত হলে এই অঞ্চল একটি বড় বাণিজ্যিক কেন্দ্রে রূপ নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তবে এই করিডোরে পুরোপুরি যুক্ত হওয়ার আগে রোহিঙ্গা সংকটের একটি স্থায়ী ও গ্রহণযোগ্য সমাধান অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com