• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
৪৫তম বিসিএসে গেজেট বঞ্চিতদের রি-ভেরিফিকেশন চালু, সিদ্ধান্ত চলতি মাসে আড্ডা থেকে নাম, সেই প্রেমতলা বদলে গেছে, আছে শুধু নামের গল্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী পদে আইজেনকটের পক্ষে ৬৭ আইনপ্রণেতা, সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত রোববার মানুষের মতো বক্সিং, মার্শাল আর্ট, টেবিল টেনিস খেলছে রোবট! পোশাক খাতে শ্রমিক অসন্তোষ: সরকারের দায়িত্ব সমন্বয়ের পথ বের করা গরুর দুধ: উপকার কতটা, ঝুঁকিই-বা কোথায়? ‘দুই মাস হইছে, মাছের গন্ধটাই ভুইল্যা গেছি’ ‘ওর কথা নিয়ে বেশি ভাবছি না, নতুন এসেছে, বেশি এক্সাইটেড’ জমি লিখে নিতে সাদা কাগজে সই নেওয়ার অভিযোগ এএসপির বিরুদ্ধে আন্তসরকারি রেল বৈঠকে প্রস্তাব: বাংলাদেশে মালবাহী ট্রেন ঢোকাতে চায় ভারত

জমি লিখে নিতে সাদা কাগজে সই নেওয়ার অভিযোগ এএসপির বিরুদ্ধে

Reporter Name / ১৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রতিপক্ষের নামে জোরপূর্বক জমি লিখে নেওয়ার চেষ্টার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সরাইল উপজেলার শাখাইতি গ্রামের বাসিন্দা ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী আবুল হোসেন সোহাগ সম্প্রতি চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক বরাবর এই বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর দাবি, একটি দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ওই পুলিশ কর্মকর্তা প্রতিপক্ষের পক্ষপাতিত্ব করছেন এবং তাঁকে নানাভাবে হয়রানি করছেন। নিজের কেনা সম্পত্তি রক্ষা করতে গিয়ে তিনি এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।

অভিযোগপত্রে ব্যবসায়ী আবুল হোসেন সোহাগ জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে ব্যবসা করে আসছেন এবং পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ছাড়াও সরাইলে তাঁর কিছু কেনা জমি রয়েছে। ব্যবসার প্রয়োজনে তিনি স্থানীয় বাসিন্দা নাজমা খাতুনের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। কিন্তু এই সাধারণ আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে একটি জালিয়াতির মাধ্যমে ১৬ শতাংশ জমি নাজমার নামে লিখে দেওয়ার জন্য তাকে ক্রমাগত চাপ দেওয়া হচ্ছে। এএসপি মো. জাহাঙ্গীর আলম এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়ে তাঁকে মামলা ও নানা ধরনের আইনি হয়রানির ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। একপর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তার ক্ষমতার অপব্যবহারে ভয় পেয়ে তিনি অলিখিত তিনটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর দিতে বাধ্য হন বলে অভিযোগে জানানো হয়।

ভুক্তভোগীর আরও অভিযোগ, জমি সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নাম করে ওই পুলিশ কর্মকর্তা তাঁর কাছে দেড় লাখ টাকা উৎকোচ দাবি করেন। নিরুপায় হয়ে তিনি প্রথম কিস্তিতে ১০ হাজার টাকা প্রদান করলেও পুলিশ কর্মকর্তা প্রতিপক্ষের পক্ষেই অবস্থান বজায় রাখেন। পরবর্তী সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে ১৬ লাখ টাকার একটি ভুয়া স্ট্যাম্প চুক্তির মামলা দায়ের করা হয় এবং কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ১২ বছরের কারাদণ্ডের হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি পুলিশ কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ প্ররোচনায় তাঁর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মিথ্যা মামলাও আদালতে দায়ের করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এদিকে অভিযুক্ত সহকারী পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম তাঁর বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে সেগুলোকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তিনি জানান, ২০২১ সাল থেকে দুই পক্ষের মধ্যে এই বিরোধ চলে আসছে এবং তাদের মধ্যে তিন লাখ টাকার একটি স্ট্যাম্প চুক্তিও হয়েছিল। তিনি নিজে কোনো মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নন এবং সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য বলে তিনি দাবি করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মো. জালাল উদ্দিন ফাহিম জানিয়েছেন যে বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা সমীচীন হবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com