• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ব্যাংকের দেউলিয়া হওয়া নিয়ে বিতর্ক, পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট কুমিল্লার একমাত্র পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা এখন ‘বাণিজ্যিক পাড়া‘ গরম দুধে দুটি কাঁচা ডিম, আর কী খেয়ে তরুণদের ঘুম কাড়তেন মনরো ক্যালিফোর্নিয়ায় ১৫১ বছর পর লাতিনো গভর্নর বেসেরা, চ্যালেঞ্জ কতটা সামাল দিতে পারবেন আমির হোসেন আমু, শাজাহান খান, দীপু মনিসহ ৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চার রাজনীতিকের জয় ঢাবির ভাস্কর্য বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে কাওসার হাসানের নিয়োগ প্রশ্নে রুল কেন ডিফেন্ডার বিশ্বনাথকে স্ট্রাইকার হিসেবে খেলালেন ডুলি নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে জামায়াতের বিক্ষোভ নেতানিয়াহুকে প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থন দেবে না জোটসঙ্গী দল ইউটিজে, আরও বেকায়দায় তিনি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৬৮ কর্মচারীর বেতন বন্ধ, চাকরি হারানোর শঙ্কা

Reporter Name / ১২ Time View
Update : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

শিক্ষা ডেস্ক: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত ২৬৮ জন অস্থায়ী কর্মচারীর বেতন গত তিন মাস ধরে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এর ফলে চরম আর্থিক সংকটে পড়ার পাশাপাশি চাকরি হারানোর তীব্র আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন এসব ভুক্তভোগী কর্মী। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ইউজিসির নির্দেশনা এবং সাম্প্রতিক সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি এবং হঠাৎ বেতন বন্ধের ঘটনায় কর্মচারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিভিন্ন দপ্তর ও বিভাগের জনবল ঘাটতি মেটাতে অস্থায়ী ভিত্তিতে এসব কর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল। বর্তমানে টেকনিক্যাল ও নন-টেকনিক্যাল মিলিয়ে ২৬৮ জন কর্মী কর্মরত আছেন, যাদের কেউ থোক বরাদ্দে আবার কেউ দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে কাজ করছেন। এদের মধ্যে অনেকে পোষ্য কোটায় নিয়োগ পেলেও দীর্ঘদিনেও তাদের চাকরি স্থায়ী করা হয়নি। এই কর্মচারীদের বেতন বাবদ প্রতি মাসে প্রায় একুশ লাখ টাকা প্রয়োজন হয়, যা মেটাতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। আগে ইউজিসির বিশেষ বরাদ্দ ও অভ্যন্তরীণ তহবিল থেকে টাকা দেওয়া হলেও বর্তমানে ঋণ করে বা তহবিল সংকটের কারণে সেই অর্থ পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।

কর্মচারীদের অভিযোগ, বর্তমান বাজারদরের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে সামান্য বেতনে সংসার চালানোই যেখানে দুরূহ, সেখানে তিন মাস ধরে বেতন বন্ধ থাকায় মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। এর আগে বেতন বৃদ্ধি ও চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে তারা বিভিন্ন আন্দোলন ও কর্মসূচি পালন করেছেন। এমনকি অনেকে হাইকোর্টে রিট পিটিশনও দায়ের করেছেন। তাদের দাবি, অতীতে বিভিন্ন প্রশাসন এই ধরনের নির্দেশনা সত্ত্বেও মানবিক দিক বিবেচনা করে বেতন বন্ধ করেনি। কিন্তু বর্তমান প্রশাসন নতুন কোনো লোক নিয়োগের উদ্দেশ্যে তাদের ছাঁটাই করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, ইউজিসির পূর্বানুমোদন ছাড়া নিয়োগ পাওয়া এসব কর্মচারীর বিপরীতে কোনো বরাদ্দ না থাকায় এবং কমিশনের সুস্পষ্ট নির্দেশনার কারণেই বাধ্য হয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে নতুন করে অর্থ বরাদ্দ না দেওয়ায় এবং এই পদের কর্মচারীদের না রাখার নির্দেশ আসায় সিন্ডিকেট সভা এই সিদ্ধান্ত নেয়। তবে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো চাইলে নিজ দায়িত্বে তাদের কাজে রাখতে পারবে এবং সে ক্ষেত্রে তাদের বেতনের দায়িত্বও সংশ্লিষ্ট বিভাগকেই বহন করতে হবে।

এ বিষয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান জানান, ইউজিসি থেকে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে না এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিল থেকে এই বিশাল অঙ্কের টাকা জোগান দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিপুল পরিমাণ বকেয়া এড়াতে এবং ইউজিসির নির্দেশনার বাইরে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এককভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। এতগুলো মানুষের মাসিক বেতনের বিকল্প উৎসের সন্ধান না থাকায় প্রশাসন এই সংকটময় পরিস্থিতিতে পড়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com