• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের অর্ধেক সম্পত্তি বাজেয়াপ্তে চিঠি দেবে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয় অতীতে মূল্যায়নে আন্ডার-মার্কেটিং ও ওভার-মার্কেটিং হতো, এইচএসসির নম্বর প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী মিরপুরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক, খুলেছে মেট্রো স্টেশন সুনামগঞ্জে ৮৭ কোটি টাকার সড়ক প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ, বিএনপির সংবাদ সম্মেলন কুইক রেন্টালে লুটপাট নয়, সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ চান প্রধানমন্ত্রী অর্থবছরের আড়াই মাসেই জ্বালানি ভর্তুকি গেছে ২৪ হাজার কোটি টাকা: তথ্য উপদেষ্টা ৫১তম বিসিএস: ৫ হাজার চিকিৎসক হতে আবেদন করলেন ৪৪,৬৩৫ জন শেখ হাসিনা জীবিত থাকাকালে নাশকতার চেষ্টা থামবে না, মন্তব্য তথ্য উপদেষ্টার ভারতে মসজিদ-মাদ্রাসায় বুলডোজার অভিযান বন্ধের দাবি, তিন দফা প্রস্তাব জমিয়তের বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আখতারুজ্জামান

সুনামগঞ্জে ৮৭ কোটি টাকার সড়ক প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ, বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

Reporter Name / ১০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: সুনামগঞ্জের প্রায় সাতাত্তর কোটি টাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক নির্মাণ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অতিরিক্ত প্রাক্কলন বা ওভার এস্টিমেটের অভিযোগ উঠেছে। এই পুরো ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে জেলা বিএনপি। সম্প্রতি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতারা এই দুর্নীতির নানা দিক তুলে ধরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয় যে, কয়েক বছর আগের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক বিভাগের জরুরি পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় সুনামগঞ্জ থেকে বিশ্বম্ভরপুর সড়কের নির্দিষ্ট অংশ এবং কয়েকটি ব্রিজ সংস্কারে প্রায় ছিয়াশি কোটি টাকার বেশি প্রাক্কলন তৈরি করা হয়। এই প্রকল্পের মূল ঠিকাদার হিসেবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সমর্থিত এক ব্যক্তি দায়িত্ব পেলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি পালিয়ে যান। পরবর্তীতে সাব-ঠিকাদার হিসেবে কাজের দায়িত্ব নেন স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনের ভিন্ন ব্যক্তিরা।

নেতারা অভিযোগ করেন যে, নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় এই প্রকল্পে অতিরিক্ত ব্যয় দেখানো হয়েছে, যা এক ধরনের বড় লুটপাটের পাঁয়তারা। প্রকৃত কাজের পরিমাণের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি মাটি কাটার হিসাব দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করার চেষ্টা চলছে। এছাড়া সদ্য নির্মিত গাইডওয়াল হেলে পড়াসহ কাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের সত্যতাও স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে।

ঘটনার সূত্র ধরে স্থানীয় সংসদ সদস্য এলাকা পরিদর্শনে গেলে সেখানে অনিয়মের দৃশ্য দেখতে পান এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে সঙ্গে নিয়ে পুনরায় পরিদর্শনের কথা জানান। ঠিক সেই সময় অভিযুক্ত সাব-ঠিকাদার উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দায়ের করেন। জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এই ধরনের তথ্যসন্ত্রাসের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে পুরো প্রকল্পের অনিয়ম খতিয়ে দেখার জোর দাবি জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com