• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
মঞ্চে জসীমউদ্দীনের ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ মোটরসাইকেলের ট্যাংকে ছিদ্র হচ্ছে, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা এএসআই নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল, উত্তীর্ণ ২০০০ আমদানির ডলারের দর বেড়ে ১২৫ টাকা সৌদিতে ফ্লাইট চলাচলে সীমাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে ২৩ হাজারের বেশি যাত্রী বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহী দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং, হুন্দাই ও হানওয়া স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর উপায়: বিশেষজ্ঞের দেওয়া ১০টি সহজ পরামর্শ রামানুজনের একটি সূত্র থেকে মিলল অসীমসংখ্যক নতুন সূত্রের সন্ধান টাকা কোথায় ছাপানো হয়, কাঁচামাল আসে যেভাবে দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আমদানির ডলারের দর বেড়ে ১২৫ টাকা

Reporter Name / ৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের মুদ্রাবাজারে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে এবং এর ধারাবাহিকতায় আমদানির জন্য নির্ধারিত ডলারের দাম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। কয়েকদিনের ব্যবধানে আমদানির ঋণপত্র বা এলসি খোলার ক্ষেত্রে ডলারের দর প্রায় এক টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। সম্প্রতি তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আমদানির ক্ষেত্রে ডলারের সর্বোচ্চ বিনিময় মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে সাধারণ খোলাবাজারে বা কার্ব মার্কেটেও মার্কিন ডলারের দাম উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বাজারে ডলারের এই দাম বেড়ে যাওয়ার পেছনে বেশ কিছু বাস্তব কারণ সক্রিয় রয়েছে।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যাংকারদের মতে, মূলত জ্বালানি আমদানির বকেয়া দায় পরিশোধের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ডলারের বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে। প্রতি মাসের শেষভাগে এসে সরকারি পর্যায়ে জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের আমদানি বিল পরিশোধের বড় চাপ তৈরি হয়। এছাড়া সামনে পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য আমদানির এলসি খোলাও ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা রমজানকেন্দ্রিক পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে এখন থেকেই আগেভাগে ঋণপত্র খুলছেন, যা সামগ্রিকভাবে ডলারের চাহিদা বাড়িয়ে দিয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের গড় বিনিময় হার বৃদ্ধি পেয়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঘোষিত বৈদেশিক মুদ্রার হার বিশ্লেষণ করলে এই দাম বাড়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়। রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতেও ডলারের স্পট ক্রয় ও বিক্রয়মূল্য আগের তুলনায় বেশি রাখতে দেখা যাচ্ছে। ইস্টার্ন ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এবং ব্র্যাক ব্যাংকের মতো প্রধান বেসরকারি ব্যাংকগুলোও চড়া দামে ডলার কেনাবেচা করছে। ব্যাংকিং খাতের এই সার্বিক চিত্র ইঙ্গিত দেয় যে সামগ্রিক বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে কিছুটা ব্যবধান তৈরি হয়েছে।

এদিকে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারে হঠাৎ করে এই অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করার পর বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকে ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের উদ্দেশে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বেশিরভাগ ব্যাংকের ডলার ধারণক্ষমতা বা নিট ওপেন পজিশন সন্তোষজনক অবস্থানে রয়েছে। তা সত্ত্বেও কৃত্রিম কোনো সংকট তৈরি করে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তা বরদাশত করা হবে না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে যেন কোনো পক্ষ বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে ফায়দা লুটতে না পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com