• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
টেলিপ্যাথি ও ব্লাইন্ডসাইট তৈরি করছে ইলন মাস্কের নিউরালিংক, যে সুবিধা পাওয়া যাবে নিজের অজান্তেই সঙ্গীর যে ৫ অভ্যাস রপ্ত করেন দম্পতিরা এমপি সান্টুকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ জানাল উজিরপুর বিএনপি তারেক রহমানের জাপান সফর: বিনিয়োগ ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা রাহুল গান্ধী কোনো দিন প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না: অমিত শাহ আড়াই বছর পর ফিরছে ইউএস ট্রেড শো, লক্ষ্য মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো বিপ্লব আপনারা কবে করেছেন, কোন বিপ্লবে ছিলেন: জামায়াতকে রিজভী সিনেটের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ৭ অঙ্গরাজ্যের সব কটিতে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা: নিউইয়র্ক টাইমসের জরিপ আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের ঋণের নামে ১২২১ কোটি টাকা লোপাট, সালমানসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের

Reporter Name / ১০ Time View
Update : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ সংকট সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সৌরবিদ্যুৎ থেকে তিন থেকে চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এই লক্ষ্য অর্জনে ভবনগুলোর ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন তথা রুফটপ সোলার ব্যবস্থাকে অন্যতম সহজ ও কার্যকর সমাধান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনবিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় এই পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত গ্রীষ্মে সাধারণ মানুষকে বিদ্যুৎ নিয়ে যে তীব্র ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হয়েছিল, আগামী দিনে তার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে সরকার এখন থেকেই আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে। সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার দ্রুত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে মাত্র দুই মাসের মধ্যে একটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে এটি প্রয়োজনে সংশোধনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্রয়োজন, আর্থিক সক্ষমতা ও বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং এই কার্যক্রমে সরকার ও ইউজিসি সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবে।

সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে কেবল বিদ্যুৎ সাশ্রয়ই নয়, বরং কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্বন ক্রেডিট অর্জনের সম্ভাবনার দিকটিও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এই বিশেষ ক্রেডিট অর্জনে সার্বিক সহযোগিতা দেবে বিদ্যুৎ বিভাগ এবং এই ক্রেডিট পরবর্তীতে বিক্রির সুযোগও রয়েছে। এই উদ্যোগের প্রচার ও প্রসারের অংশ হিসেবে আগামী নভেম্বর মাসে ঢাকায় বাংলাদেশ সোলার এক্সপো আয়োজন করা হতে যাচ্ছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের রূপরেখা ও কার্যকারিতা নিয়ে উপাচার্যদের অংশগ্রহণে খুব শীঘ্রই একটি বিশেষ বিশেষজ্ঞ সভারও আয়োজন করা হবে বলে তিনি জানান।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন নিয়ে বিদ্যমান নানা বিভ্রান্তি দূর করতেই এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরিচালন ব্যয়ের একটি বড় অংশই বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল পরিশোধে ব্যয় হয়, তাই ব্যয় কমাতে ওপেক্স মডেলে সৌরবিদ্যুৎ চালুর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। ইতিমধ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই মডেলে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও একই ধরনের ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। অনুষ্ঠানে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ডিন অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম ও বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব তাহমিলুর রহমান সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন বিষয়ে পৃথক দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা আলোচনায় অংশ নেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com