• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:১১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সরকারের ব্যর্থতায় অর্থনৈতিক সংকট আরও প্রকট হয়েছে: এবি পার্টি ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি–এডহক কমিটি বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত সরকারি হাসপাতালে এসেও ওষুধের দাম,পরীক্ষা–নিরীক্ষার খরচে যেভাবে ফতুর হচ্ছেন রোগীরা জরুরি পরিস্থিতির জন্য খাবার-পানি মজুত করতে বলছে বিভিন্ন দেশ, কীসের আশঙ্কা জলবায়ু রক্ষাকারী গাছের লাখো বীজ ছড়িয়ে দিচ্ছে ড্রোন এআইয়ের নিয়ন্ত্রণ মানুষের হাতেই থাকা উচিত: স্যাম অল্টম্যান মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা ১১২১ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে ৩ মামলার অনুমোদন দুদকের

সরকারি হাসপাতালে এসেও ওষুধের দাম,পরীক্ষা–নিরীক্ষার খরচে যেভাবে ফতুর হচ্ছেন রোগীরা

Reporter Name / ১২ Time View
Update : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

স্বাস্থ্য ডেস্ক: দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ রোগীরা নানা ধরনের আর্থিক সংকটের মুখে পড়ছেন। নামমাত্র মূল্যে বা বিনামূল্যে সেবা পাওয়ার আশায় সরকারি প্রতিষ্ঠানে ভিড় করলেও শেষ পর্যন্ত ওষুধ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার বাড়তি খরচে তাদের পকেট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। বহু ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা যে সমস্ত ওষুধ ও প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার পরামর্শ দেন, তার অনেক কিছুই সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল থেকে সরবরাহ করা হয় না। ফলে বাধ্য হয়ে রোগীদের বাইরের দোকান থেকে চড়া দামে ওষুধ কিনতে হয় এবং বেসরকারি ক্লিনিক থেকে পরীক্ষা করাতে হয়।

স্বাস্থ্যখাতের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণের সরকারি বরাদ্দ থাকলেও প্রায়ই প্রয়োজনীয় সরবরাহের ঘাটতি থাকে। এর ফলে গরিব ও নিম্নবিত্ত রোগীরা চরম বিপাকে পড়েন এবং চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে গিয়ে তারা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। বিশেষ করে জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এই খরচের বোঝা পাহাড়সম হয়ে দাঁড়ায়। সরকারি চিকিৎসালয়গুলোতে অনেক সময় আধুনিক পরীক্ষা যন্ত্রের অভাব অথবা দীর্ঘ লাইনের কারণে রোগীরা বাধ্য হন চড়া মূল্যের বেসরকারি প্যাথলজির শরণাপন্ন হতে।

চিকিৎসাসেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের অভিযোগ, হাসপাতালের বহির্বিভাগে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর চিকিৎসকের পরামর্শ মিললেও আসল ভোগান্তি শুরু হয় এর পরে। প্রেসক্রিপশনে লেখা অনেক ওষুধই হাসপাতালের স্টোর থেকে পাওয়া যায় না, যার ফলে বাইরে থেকে সেগুলো সংগ্রহ করতে হয়। পাশাপাশি রক্তের পরীক্ষা কিংবা এক্সরে করার ক্ষেত্রেও একই ধরনের ভোগান্তির শিকার হতে হয় তাদের। অনেক সময় সরকারি মেশিনের দীর্ঘ জট এড়াতে চিকিৎসকের পরামর্শেই রোগীরা বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টার বেছে নেন।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা মনে করছেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হলে সরকারি হাসপাতালগুলোতে ওষুধের সরবরাহ বাড়ানো এবং ডায়াগনস্টিক সেবার পরিধি আরও বিস্তৃত করা জরুরি। অন্যথায় নামমাত্র মূল্যের চিকিৎসার সুযোগ থাকলেও সামগ্রিক খরচ মেটাতে গিয়ে রোগীরা আরও বেশি আর্থিক অনটনের মধ্যে পড়বেন। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর সাধারণ মানুষের এই আস্থার সংকট কাটাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে তারা মত প্রকাশ করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com