• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ফুটবলাররা কি আসলেই বোকা, নাকি আমরা ভুল জানি কারামুক্ত হলেন মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান সোলার এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বৃন্দাবন কলেজ থেকে বহু গুণীজন তৈরি হয়েছেন: হুইপ গউছ এইচএসসির ফল বিবেচনায় রাবির ভর্তি আবেদনের শর্ত শিথিল গাজীপুরে আজ ১১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, দায়িত্বে ২৫ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ক্যালিফোর্নিয়ায় ২০ হাজার ব্যালট বাতিলে ট্রাম্প প্রশাসনের চেষ্টা সুপ্রিম কোর্টে খারিজ বাসে রং করলেই রুট রেশনালাইজেশন হবে না যেখানে সারা বছর ৬০০ টাকায় বাটার জুতা কেনা যায়, বছরে বিক্রি ১ লাখ জোড়া পত্রিকা: ‘পোশাকশ্রমিক-হকারদের মাঠে নামিয়ে আ’লীগের ভয়ঙ্কর ছক’

হুইপের ঘোষণায় ক্ষোভ: মহাসড়ক অবরোধে যান চলাচল ব্যাহত

Reporter Name / ১৮ Time View
Update : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ক্যাম্পাস জেলা সদর থেকে সরিয়ে অন্য স্থানে স্থাপনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেছেন। পূর্বনির্ধারিত সদর এলাকা থেকে ক্যাম্পাসটি সরিয়ে হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপুর নিজ এলাকা পূর্ব ডামুড্যায় নেওয়ার ঘোষণা আসার পরই মূলত এই অসন্তোষ দানা বাঁধতে শুরু করে। এরপর থেকেই শরীয়তপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রতিবাদ ও ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের আপত্তির কথা জানাতে থাকেন। জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি উপেক্ষা করে ক্যাম্পাস স্থানান্তরের এই উদ্যোগ এলাকার শিক্ষা ও উন্নয়নমূলক অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করবে বলে মনে করছেন আন্দোলনকারীরা।

এই ক্ষোভের অংশ হিসেবে সম্প্রতি সন্ধ্যার দিকে শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের কোটাপাড়া সেতুসংলগ্ন এলাকা থেকে একটি মশাল মিছিল বের করা হয়। শরীয়তপুর জেলার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং নানা পেশার সহস্রাধিক মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। মিছিলটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে প্রেমতলা মোড়ে গিয়ে শেষ হয় এবং সেখানে বিক্ষুব্ধ জনতা অবস্থান নেন। মশাল হাতে মিছিলে অংশ নেওয়া মানুষের স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে এবং তারা অবিলম্বে পূর্বনির্ধারিত স্থানেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জোরালো দাবি জানান।

প্রেমতলা মোড়ে পৌঁছানোর পর আন্দোলনকারীরা প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন যার ফলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। হঠাৎ এই অবরোধের কারণে ঢাকা ও শরীয়তপুরগামী বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন এবং সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তৎপর থাকলেও আন্দোলনকারীদের অনড় অবস্থানের কারণে কিছু সময় যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ থাকে। এই অবরোধের মাধ্যমে আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট বার্তা দিতে চেয়েছেন যে তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন আরও কঠোর থেকে কঠোরতর হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে কর্তৃপক্ষকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে যে খুব শীঘ্রই যদি পূর্বনির্ধারিত স্থানে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত পুনর্বহাল করা না হয়, তবে আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করবে। দাবি না মানলে প্রয়োজনে আগামীতে পদ্মা সেতু অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা। এর আগে একই দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল এবং স্মারকলিপি প্রদানের মতো নানা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করলেও ফল না পাওয়ায় এখন রাজপথের এই কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান স্থানীয়রা। আন্দোলন চলাকালে সমাবেশে বক্তব্য দেন স্থানীয় বিএনপি নেতা মাসুম খান, ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য বিল্লাল শেখ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান ডালিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com