• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
আমির হোসেন আমু, শাজাহান খান, দীপু মনিসহ ৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চার রাজনীতিকের জয় ঢাবির ভাস্কর্য বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে কাওসার হাসানের নিয়োগ প্রশ্নে রুল কেন ডিফেন্ডার বিশ্বনাথকে স্ট্রাইকার হিসেবে খেলালেন ডুলি নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে জামায়াতের বিক্ষোভ নেতানিয়াহুকে প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থন দেবে না জোটসঙ্গী দল ইউটিজে, আরও বেকায়দায় তিনি প্রতিটি শিশুর অধিকার নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে: ডেপুটি স্পিকার পরিস্থিতির উন্নতি না হলে কারখানা বন্ধ রাখতে চান পোশাকশিল্পের মালিকেরা আদা চাষে প্রণোদনা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী তেল–গ্যাস খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

ইনানীতে গ্যাস ও জ্বালানি তেল প্রাপ্তির সম্ভাবনা

Reporter Name / ২৫ Time View
Update : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার ইনানী এলাকায় একটি বাড়িতে নলকূপ স্থাপনের সময় মাটির গভীর থেকে গ্যাস ও জ্বালানি তেল বের হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি ওই এলাকায় নলকূপ বসানোর কাজ চলার সময় ভূগর্ভের প্রায় এক হাজার ফুট গভীরে পাইপ পৌঁছানোর পর প্রাকৃতিকভাবে গ্যাস নির্গত হতে শুরু করে এবং একপর্যায়ে তাতে আগুন ধরে যায়। এই আকস্মিক ঘটনায় উৎসস্থল থেকে টানা কয়েক দিন ধরে আগুন জ্বলতে থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় গত ২৭ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে একটি উচ্চপর্যায়ের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, উখিয়া উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলের আশপাশের ২০০ মিটারের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশ, ঘোরাফেরা এবং আগুন জ্বালানোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। নিরাপত্তার স্বার্থে সেখানে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করা হয় এবং এলাকাটিতে লাল পতাকা টানিয়ে ও কাঁটাতারের বেড়া বসিয়ে অবরুদ্ধ করা হয়। তা সত্ত্বেও প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে উৎসুক মানুষ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভিড় জমায়, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ঘটনার পর বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড তথা বাপেক্স এবং পেট্রোবাংলার উচ্চপর্যায়ের একটি কারিগরি দল একাধিকবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পেট্রোবাংলার প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, নির্গত হওয়া এই গ্যাস অগভীর কোনো প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত বা শ্যালো রিজার্ভার থেকে আসছে। এছাড়া আগুনের শিখার বিশেষ রং দেখে বিশেষজ্ঞরা অনুমান করছেন যে, এই গ্যাসের সঙ্গে মূল্যবান জ্বালানি তেল বা কনডেনসেটও থাকতে পারে। গ্যাস ও জ্বালানি তেলের এই মজুত যদি উৎপাদন উপযোগী বলে প্রমাণিত হয়, তবে তা দেশের জ্বালানি খাতে নতুন এক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

আগুন ও গ্যাস নির্গমনের প্রকৃত প্রকৃতি সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পেট্রোবাংলা ও বাপেক্স যৌথভাবে আগামী ১৫ দিন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণের সময় যদি গ্যাসের প্রবাহ বা আগুনের তীব্রতা না কমে, তবে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে আধুনিক সাইড ট্র্যাকিং প্রযুক্তির সাহায্যে একটি রিলিফ কূপ খনন করা হবে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন ধরনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠিয়েছে। বিশ্বজুড়ে এ ধরনের ভূতাত্ত্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এই প্রযুক্তি সফলভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এবং বিশেষজ্ঞ দল আশা করছে নিজস্ব সক্ষমতা দিয়েই এই সংকট সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com