• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:০৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা হ্রাসের পেছনে যত কারণ পিএসসি সংস্কার ও সরকারি নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ছাত্রশিবিরের ১৩ দফা প্রস্তাবনা মানহীন মেডিকেল কলেজ করতে দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ৯৭৫ থেকে ২,০৬০ টাকা: সাড়ে ৫ বছরে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম দ্বিগুণের বেশি দুদকের প্রেস ব্রিফিংয়ের বৈধতা নিয়ে আসিফ মাহমুদের রিটের ওপর আদেশ আগামী বুধবার সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন বিসিআইসির চেয়ারম্যান বাবুল মিঞা সংবাদ প্রচারকে কেন্দ্র করে ইকবাল সোবহান চৌধুরী ডিবি হেফাজতে: ডিএমপি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ৮৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ৯ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা তৃতীয় ভাষা চালুর আগে প্রস্তুতি কতটুকু ডিবিসি কার্যালয় থেকে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে

অভিযোগ আছে—অনেক বিচারক দুই-তিন ঘণ্টা আদালত করেন: আইনমন্ত্রী

Reporter Name / ১৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক: দেশের বিচারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে এবং বিচারিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বাড়াতে কড়া বার্তা দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। সম্প্রতি রাজধানীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বিচারকদের সময়মতো দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। এ সময় কিছু বিচারকের বিরুদ্ধে কম সময় আদালত পরিচালনার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আইনমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, নির্দিষ্ট কিছু স্থানে বিচারকদের কেউ কেউ প্রতিদিন মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা আদালতের কাজ পরিচালনা করে থাকেন। তারা অনেক ক্ষেত্রে বেলা ১১টার দিকে আদালতে আসেন এবং দুপুর দেড়টা থেকে দুটোর মধ্যেই বিচারিক কার্যক্রম শেষ করে চলে যান। এই ধরনের কর্মপদ্ধতি বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ায় এবং বিচারব্যবস্থার সামগ্রিক কার্যকারিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বলে তিনি মনে করেন।

অনুষ্ঠানে দেশের তরুণ বিচারকদের ভূয়সী প্রশংসা করে আইনমন্ত্রী জানান যে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিচারব্যবস্থাকে আধুনিক করা এখন সময়ের দাবি। বর্তমান যুগের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডিজিটাল খাতকে চিহ্নিত করে তিনি বলেন, তরুণ বিচারকেরা যথেষ্ট স্মার্ট এবং তারা এই প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ সাফল্যের সঙ্গেই মোকাবিলা করবেন। বিচার বিভাগকে সাধারণ মানুষের পূর্ণ আস্থা ও ভরসার প্রতীকে পরিণত করতে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

বিচার বিভাগের বর্তমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান যে বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ছেচল্লিশ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ মামলার জট দূর করতে গিয়ে বিচারকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে এবং সরকার এই চাপ কমাতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যেই ই-জামিন বা ই-বেইল বন্ড চালুর ফলে সাধারণ মানুষ সুফল পেতে শুরু করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিচারপ্রক্রিয়ায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে সাক্ষ্য গ্রহণ এবং হাজিরা দেওয়ার পদ্ধতিতেও আধুনিকায়ন আনা হচ্ছে বলে তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com