• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ১০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা অস্বাস্থ্যকর খাবার চেনাতে মোড়কে সতর্কবার্তা, দেশে প্রথম প্রচারণা শুরু বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের নাম হতে পারে ‘অর্ণব’ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনতে যা যা করা প্রয়োজন, সবই করছে বিএনপি: নাহিদ জন্মদিনে শিউলি ফুলের থিম,পরীমণি মানেই অন্যরকম আকর্ষণ ইবতেদায়ি মাদ্রাসা এমপিওভুক্তি নিয়ে সুখবর দিলেন সংসদ সদস্য টিপু ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে কাউকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা দিইনি: মীর শাহে আলম বেসরকারি সদস্যদের বিলের ত্রুটি জানাতে হবে এক সপ্তাহের মধ্যে হাসপাতালের ৯ কোটি টাকার ই-টেন্ডার হ্যাক, স্থানীয়রা বলছেন অনিয়ম বিদেশি পর্যটকদের কার্ড পেমেন্টের ১৫% বৈদেশিক মুদ্রা রাখতে পারবে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান

গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ হয়ে গেল যমুনা সার কারখানা

Reporter Name / ১২ Time View
Update : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: উৎপাদন শুরুর মাত্র দুই দিনের মাথায় আবারও পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে দেশের সর্ববৃহৎ দানাদার ইউরিয়া উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সার কারখানা। গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণে রবিবার ভোরবেলা থেকেই এই কারখানার গ্যাস সংযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এর ফলে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে সার উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট মহলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। কারখানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

১৯৯২ সালের পয়লা জুলাই বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের বা বিসিআইসি-র অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে। কারখানাটিতে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার সাতশ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে এবং সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কারখানায় ৪২ পিএসআই গ্যাসের চাপ প্রয়োজন হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন গ্যাস সংকটের কারণে এটি প্রায় আট মাস বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি কর্তৃপক্ষ গ্যাস পেয়ে উৎপাদনের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছিল।

গত মঙ্গলবার রাতে কারখানাটিতে অ্যামোনিয়া ও ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হলেও প্রয়োজনীয় গ্যাসের ঘাটতি স্পষ্ট ছিল। নির্ধারিত চাপের চেয়ে কম চাপে উৎপাদন চালুর মাত্র তেতাল্লিশ ঘণ্টার মাথায় বয়লারে ত্রুটি বা লিকেজ দেখা দেয়। যদিও পরবর্তীতে লিকেজ মেরামত করা হয়েছিল, তবে গ্যাসের চাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় সার উৎপাদন আর স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে কিছুটা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় উৎপাদন শুরু করা হলেও শেষ পর্যন্ত রবিবার ভোরে গ্যাস সংযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কার্যক্রম থমকে যায়।

এই কারখানার ওপর জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের উনিশ জেলার প্রায় আড়াই হাজার ডিলার সারের জন্য নির্ভরশীল। দীর্ঘমেয়াদী এই গ্যাস সংকট ও বারবার উৎপাদন বন্ধ হওয়ার কারণে অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, এর সুযোগ নিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে নিম্নমানের সার আমদানির চেষ্টা করা হতে পারে। কারখানার প্রশাসন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক দেলোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত গ্যাস পাওয়ার প্রত্যাশায় তারা উৎপাদনে গেলেও তিতাস কর্তৃপক্ষ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ায় কারখানাটি ফের বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com