• শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ট্রাম্পের নিশানায় কিউবা, ইরান থেকে ফেরার পথে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর ইঙ্গিত সামরিক মহড়া থেকে সাইবার নিরাপত্তা, সহযোগিতা বাড়াবে যুক্তরাজ্য-ওমান মেলানিয়ার কথায় ‘যুদ্ধ থামল’ ইউক্রেনের এক শহরে সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে খাগড়াছড়িতে বিক্ষোভ দ্বন্দ্ব নয়, ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে: মামুনুল হক পীরগাছায় ‘আলোকিত নাপাইচন্ডি পাঠাগার’ উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ অলিম্পিক-কমনওয়েলথ-এশিয়ান গেমসে লক্ষ্য এখন পদক জয়: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ইরানে নতুন হামলার ইঙ্গিত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের, ট্রাম্পের দাবি কিছুই জানেন না ইসরাইলকে মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির মূল হোতা বলল মিসর, সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তান ফিফা সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচনে এএফসির সমর্থন পেলেন ইনফান্তিনো

মেলানিয়ার কথায় ‘যুদ্ধ থামল’ ইউক্রেনের এক শহরে

Reporter Name / ১১ Time View
Update : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের বিশেষ হস্তক্ষেপে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকা ইউক্রেনের ওলেশকি শহরে একটি স্থানীয় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, তীব্র লড়াইয়ের কারণে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়া এই যুদ্ধকবলিত অঞ্চলে গত ২৯ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে। তবে যুদ্ধবিরতির এই ঘোষণা আসার পর এখন পর্যন্ত ইউক্রেন কিংবা রাশিয়ার সরকারিভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। মেলানিয়া ট্রাম্পের এই মধ্যস্থতা কূটনৈতিক মহলে বেশ বড় ধরনের আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

খেরসন অঞ্চলের দানিপ্রো নদীর তীরে অবস্থিত ওলেশকি শহরটি ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রুশ বাহিনী পূর্ণাঙ্গ আগ্রাসন শুরুর পরপরই দখল করে নেয়। এরপর থেকেই শহরটি কার্যত বাইরের পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে এবং সেখানে দীর্ঘদিন ধরে ভয়াবহ মানবিক সংকট চলছে। সম্প্রতি বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের দুর্বিষহ জীবনযাপনের কথা তুলে ধরে জানান যে, খাবার ও সুপেয় পানির চরম সংকটের কারণে অনেকেই বেঁচে থাকার তাগিদে বাগানের আগাছা খেতে বাধ্য হচ্ছেন। এছাড়া শহরটিতে নিয়মিত গোলাবর্ষণ ও রাস্তাঘাটে মাইন পুঁতে রাখার কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা পুরোপুরি থমকে গেছে।

হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মেলানিয়া ট্রাম্প এবং তাঁর নির্ধারিত প্রতিনিধি দল রাশিয়া ও ইউক্রেনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা চালিয়ে এই যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো চূড়ান্ত করেছেন। ফার্স্ট লেডি নিজে দাবি করেছেন যে, তাঁর ব্যক্তিগত কূটনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়া শহরটিতে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং বয়স্ক ও অসহায় নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া কিছুতেই সম্ভব হতো না। দুই দেশের বেসামরিক নেতারা এখন ওলেশকির প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে বাসিন্দাদের প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা নিরূপণ করবেন এবং যারা শহর ছেড়ে যেতে ইচ্ছুক, তাদের জন্য বিশেষ পরিবহনের ব্যবস্থা করা হবে।

শহরটির চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থা এতটাই ভেঙে পড়েছে যে আংশিক চালু থাকা একমাত্র হাসপাতালে সপ্তাহে মাত্র কয়েক দিন কার্যক্রম চালানো হয়। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা ওলেশকির বর্তমান অবস্থাকে রুশ বাহিনীর একটি পূর্ণাঙ্গ অবরোধ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং কিয়েভ বারবার সেখানে ত্রাণ পাঠানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। ক্রেমলিনও এর আগে শহরটির সংকটজনক পরিস্থিতির কথা স্বীকার করেছিল, যদিও এজন্য তারা ইউক্রেনকে দায়ী করেছিল। তবে এই নতুন যুদ্ধবিরতির ফলে দীর্ঘকাল ধরে অবরুদ্ধ থাকা সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি ও জরুরি ত্রাণসামগ্রী পাওয়ার আশা দেখছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com