• শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
চা বানাতে গিয়ে দেখেন, রান্নাঘরে ফোঁস ফোঁস করছে ‘কিং কোবরা’ সৌদির বিধিনিষেধে বিঘ্নিত ১৩৯ ফ্লাইট, ভোগান্তিতে ২১ হাজারের বেশি যাত্রী ফ্রান্সে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে কঠোর ম্যাক্রোঁ, অবৈধ সমাবেশ নিষিদ্ধের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর আবার ইরানে বড় হামলার ছক ভারতে তিন বছর কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন পাচার হওয়া ছয় বাংলাদেশি দুর্গা বিসর্জনে শুধু সনাতনীদের প্রতিমা ছোঁয়ার নির্দেশ, অস্পৃশ্যতা ফেরানোর অভিযোগ বিরোধীদের ম্যাপে আটলান্টিকের নাম বদলে নিজের নাম বসাতে গুগল সিইওকে ট্রাম্পের ফোন প্রথমবারের মতো মাঠে গড়াচ্ছে এক্সপ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ টার্গেট ৪৩০, শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়! গঙ্গাচড়ায় বিএনপি নেতাকে মারধর ও কার্যালয় ভাঙচুরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর আবার ইরানে বড় হামলার ছক

Reporter Name / ১০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ ইরানে বড় ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালানোর পরিকল্পনা চলছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা ও নীতিনির্ধারক মহলে এই পরিকল্পনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা সমীকরণ চলছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ার পর ওয়াশিংটন তাদের মিত্রদের নিয়ে এই কঠোর পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে।

এই সম্ভাব্য হামলার মূল লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে ইরানের কৌশলগত পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে। দেশের পরমাণু কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করতেই এই সামরিক অভিযানের ছক কষা হয়েছে। তবে এই ধরনের বড় সামরিক পদক্ষেপের ফলে আঞ্চলিক রাজনীতি ও নিরাপত্তার ওপর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রাথমিক ভাবনায় পারমাণবিক সাইটগুলো থাকলেও, তেল শোধনাগার বা জ্বালানি উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে সরাসরি হামলা চালানো থেকে বিরত থাকতে চাইছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। এর পেছনে মূল কারণ হলো, জ্বালানি খাতে বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হলে বিশ্ববাজারে তেলের মূল্য আকাশচুম্বী হতে পারে। এর ফলে মার্কিন অর্থনীতিসহ বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার এই আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যকার এই চলমান টানাপোড়েন কীভাবে শেষ পর্যন্ত রূপ নেয়, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে বিশ্ববাসীর। কূটনৈতিক আলোচনার পথ বন্ধ হয়ে এমন সংঘাত শুরু হলে তা গোটা অঞ্চলের সুরক্ষাকে চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com