• শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

এলপিজি বাজারে অস্থিরতা: পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব বেসরকারি কোম্পানিগুলোর

Reporter Name / ১০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাজারে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ১২ কেজির তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি সিলিন্ডার। এমন অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেই দেশের বেসরকারি আমদানিকারক ও বোতলজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন পর্যায়ে তাদের পরিচালন ব্যয় ও কমিশন বাড়ানোর প্রস্তাব জমা দিয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি এসব প্রস্তাবের ওপর শিগগিরই আনুষ্ঠানিক গণশুনানির আয়োজন করতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাজারে এলপিজির সরবরাহ ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই শুনানির মাধ্যমেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

দেশে প্রতি মাসে বিপুল পরিমাণ এলপিজির চাহিদা থাকলেও এর সিংহভাগই পূরণ করে থাকে বেসরকারি ১০ থেকে ১২টি কোম্পানি। অন্যদিকে সরকারি একমাত্র প্রতিষ্ঠান এলপি গ্যাস লিমিটেড চাহিদার অতি সামান্য অংশ সরবরাহ করে থাকে। দীর্ঘ সময় ধরে বেসরকারি গ্যাসের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে প্রতি মাসে সমন্বয় করা হলেও সরকারি গ্যাসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ফলে সরকারি ও বেসরকারি সিলিন্ডারের দামের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান তৈরি হয়েছে। এই মূল্য পার্থক্যের সুযোগ নিয়ে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সরকারি সিলিন্ডারের গ্যাস বেসরকারি সিলিন্ডারে ভরে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারি প্রতিষ্ঠানটিও তাদের সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংকঋণের সুদহার বৃদ্ধি, পরিবহন খরচ বেশি হওয়া এবং কারখানা পরিচালনা ও নিরাপত্তার ব্যয় বাড়ার কারণ দেখিয়ে বেসরকারি কোম্পানিগুলোও দাম বাড়ানোর জোরালো দাবি তুলেছে। বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কেজিপ্রতি গ্যাস মজুত, বোতলীকরণ খরচ এবং পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতা পর্যায়ে কমিশন বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। এছাড়া কিছু পরিবেশক কোম্পানিও তাদের কমিশন বাড়ানোর জন্য বিইআরসির কাছে আবেদন জানিয়েছে।

কোম্পানিভেদে এই ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাবে দেখা গেছে বড় ধরনের তারতম্য। ওমেরা, ফ্রেশ, ডেল্টা ও পেট্রোম্যাক্সের মতো শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি কোম্পানিগুলো তাদের মজুত ও বোতলজাতকরণের খরচ বাড়ানোর আলাদা প্রস্তাব জমা দিয়েছে। এ ছাড়া বিনিয়োগের ওপর নির্দিষ্ট হারে মুনাফা এবং টার্নওভার কর ও অর্থায়ন ব্যয় যুক্ত করার দাবিও জানিয়েছে তারা। এই প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়িত হলে বাজারে এলপিজির দাম আরও বাড়তে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করছেন সাধারণ ভোক্তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com