• শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
আলবার্টার স্বাধীনতা ইস্যুতে বাংলাদেশি অভিবাসীদের কেন এ অবস্থান? বগুড়ায় সার ডিলার নিয়োগে ধীরগতি, তালিকার অপেক্ষায় ১১ উপজেলা বিপুল অর্থ ব্যয়ে ১৪ বছর ধরে চলে গাজীপুরের বিআরটি প্রকল্প, শেষ মুহূর্তে বাতিল নতুন ঋণেও আইএমএফের পুরোনো শর্ত, রাজস্ব সংস্কার কতটা এগোল সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর দুই থানার দায়িত্ব এড়ানোর সুযোগ নেই পৃথিবীর একটি মাত্র দেশ নিজেদের সব খাবার নিজেরাই উৎপাদন করে পত্রিকা: ‘জামায়াত সংশ্লিষ্টতায় প্রধানমন্ত্রীর সফরে রাষ্ট্রদূত বাদ’ ফল ফ্যাশনে মিথিলার চমক, নিউইয়র্কের রাস্তায় উষ্ণতা ছড়ালেন দুই লুকে নেটফ্লিক্সে মোশাররফ করিম অভিনীত দুই সিরিজ

যুদ্ধের শঙ্কা বাড়লেও ইউরেনিয়াম ছাড়তে নারাজ ইরান

Reporter Name / ১২ Time View
Update : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিরসনে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক তৎপরতা তীব্র আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি তেহরানে বিদেশি শীর্ষ কর্মকর্তাদের আনাগোনা বাড়লেও পারমাণবিক কর্মসূচি ও ইউরেনিয়াম মজুতের বিষয়ে নিজেদের কঠোর অবস্থানে অনড় রয়েছে ইরান। দেশটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, ওয়াশিংটন ও তাদের মিত্রদের শর্ত মেনে না নিলে এই উত্তেজনার অবসান ঘটা সম্ভব নয়। এছাড়া হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার হুমকিও পুনর্ব্যক্ত করেছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।

তেহরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ি সম্প্রতি এক বৈঠকে নিশ্চিত করেছেন যে, দেশ থেকে এক গ্রাম সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামও সরিয়ে নেওয়া হবে না। তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের তত্ত্বাবধানে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মাত্রা কিছুটা কমানোর বিষয়ে তেহরানের আগের প্রস্তাবের বিষয়টি এখনো টেবিলে রয়েছে। পারমাণবিক কর্মসূচিকে ইরানের জাতীয় সম্পদ ও সার্বভৌম অধিকার হিসেবে উল্লেখ করে দেশটির নীতিনির্ধারকরা বলছেন, সামরিক চাপে এই কর্মসূচি বাদ দেওয়া মানে আত্মসমর্পণ করা।

এদিকে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই তেহরান সফর করেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির এবং এর আগে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভসহ বেশ কয়েকজন মধ্যস্থতাকারী। তবে ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বিদেশি মধ্যস্থতাকারীদের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন করে জানানোর কিছু নেই এবং পূর্বের শর্তগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। ইরানের শর্তের মধ্যে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া এবং গত জুনের সমঝোতা স্মারকে ফিরে যাওয়া।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র বা পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষ থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তা না পেলে তেহরান কখনোই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বা পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে নমনীয় হবে না। এর পাশাপাশি মার্কিন পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে রণতরী ও মেরিন ইউনিট পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। সব মিলিয়ে কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি নতুন করে বড় ধরনের সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দিন দিন আরও ঘনীভূত হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com