• বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ভেপিং ছেড়েছেন সেলেনা, বড় ক্ষতি হয়েছে জানালেন নিজেই সাজেকে ভ্রমণ সাময়িক বন্ধ ঘোষণা বিসর্জনের অশ্রুতে ঐতিহ্যের বাঁধন, ঘিওরে ২০২ বছরের সম্প্রীতির মেলায় মানুষের ঢল মানহীন বাল্বে সয়লাব বাজার, ঝুঁকিতে ব্যবহারকারীরা প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় দুর্গোৎসব পুজোর সাজে সাবেকি, না আধুনিক: মিমের আনারকলি, মন্দিরার বেনারসি, দীঘির কাঞ্চিপুরম, জয়ার সুতির শাড়ি কার লুক নজর কাড়ল সবচেয়ে বেশি পতেঙ্গার ঢেউয়ে ভাসে প্রতিমা, বুকে বাজে বিসর্জনের ব্যথা রাস্তার পাশের পিঠা-পুরির দোকানেও লাগবে নিবন্ধন এক কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে: রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর নিজ দেশে বিক্ষোভের মধ্যেই আকস্মিক সফরে সৌদি গেলেন ম্যাক্রোঁ

জীবনে বরকত আসার ১০ উৎস

Reporter Name / ১২ Time View
Update : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬

ধর্ম ডেস্ক: ইসলামিক পরিভাষায় বরকত বলতে কেবল বস্তুর গাণিতিক বৃদ্ধি বোঝায় না, বরং এর মধ্যে লুকিয়ে থাকে অসীম আত্মতৃপ্তি, মানসিক প্রশান্তি এবং অল্প সময়ে অধিক কল্যাণকর কাজ সম্পন্ন করার বিশেষ ক্ষমতা। পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে জীবনকে অর্থবহ ও কল্যাণময় করে তোলার জন্য বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট উপায় রয়েছে, যা মানুষের ইহকালীন ও পরকালীন জীবনকে সফল করতে সাহায্য করে। মানবজীবনে এই বরকত অর্জনের নানা উৎসের কথা ইসলামে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে, যা সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারলে দৈনন্দিন জীবন অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক ও সুন্দর হয়ে ওঠে।

জীবনে বরকত লাভের মূল চাবিকাঠি হলো ইমান ও খোদাভীতি বা তাকওয়া অর্জন করা, যার মাধ্যমে মানুষের ভাগ্যের বন্ধ দুয়ার খুলে যায়। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে যে কোনো জনপদের মানুষ যদি ইমান ও তাকওয়ার পথ ধরে চলে, তবে তাদের জন্য আসমান ও জমিনের সমস্ত বরকতের দরজা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নিয়মিত কোরআন তেলাওয়াত এবং এর মর্মার্থ উপলব্ধি করার মাধ্যমে ঘরে ও মনে শান্তি নেমে আসে, কারণ যে গৃহে নিয়মিত কোরআন চর্চা করা হয় সেখানে আল্লাহর রহমত বর্ষিত হতে থাকে।

দিনের শুরু অর্থাৎ ভোরের শুভ্র সময়টাতে রয়েছে বিশেষ আধ্যাত্মিক ও শারীরিক বরকত, যা আলসেমি কাটিয়ে মানুষের কাজের গতি ও মানসিক সতেজতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া পরিবার, মাতা-পিতা ও অন্যান্য আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা কেবল সামাজিক শিষ্টাচারই নয়, বরং এটি মানুষের দীর্ঘায়ু ও রিজিক বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়। জীবিকার বিশুদ্ধতা বা হালাল উপার্জনের ওপর জোর দেওয়া বরকতের পূর্বশর্ত, কারণ অসৎ উপায়ে অর্জিত অর্থে সাময়িক প্রাচুর্য দেখা গেলেও তাতে কখনো প্রকৃত স্থায়িত্ব ও মানসিক শান্তি থাকে না।

মানুষের ভুলত্রুটি স্বাভাবিক হলেও নিয়মিত ইস্তিগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করার মাধ্যমে আল্লাহতায়ালা মানুষের বিপদাপদ দূর করে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে প্রাচুর্য দান করেন। বাহ্যিকভাবে দান-সদকা করলে সম্পদ কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলেও ইসলামি দৃষ্টিতে তা সম্পদে অদৃশ্য প্রবৃদ্ধি আনে এবং জীবনে বিপদমুক্ত পরিবেশ তৈরি করে। এছাড়া আল্লাহর দেওয়া যেকোনো নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা, পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে আহার করা এবং বস্তুগত চেষ্টার পর ফলাফলের জন্য একমাত্র আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা বা তাওয়াক্কুল রাখার মাধ্যমে জীবনে অলৌকিক সহজতা ও বরকত লাভ করা সম্ভব হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com