• মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
নীরব বসন্তের কালে অপরাধী ধরা যায়, ছোঁয়া যায় না সুপ্রিম কোর্টে অগ্নিনিরাপত্তা মহড়া করেছে ফায়ার সার্ভিস চুয়েটে অচলাবস্থা, সংকট নিরসন কমিটিতেও নেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি বাবার কাছ থেকে শেখা, প্রতিমা তৈরি করেই সংসারের হাল ধরেছেন যূথীমনি সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো তরুণী নিজেদের মেয়ে দাবি টাঙ্গাইলের এক পরিবারের সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হওয়ার লক্ষ্য অদম্য মফিজারের বান্দরবানে হোটেল–মোটেলে শতভাগ বুকিং, করোনা মহামারির পর সর্বোচ্চ পর্যটক আগে পদ ছেড়েছেন প্রায় তিন ডজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী গোদাগাড়ীতে একই আঙিনায় মসজিদ-মন্দির, চলছে নামাজ-পূজা এআই কি কাজ সহজ করছে, নাকি কাজের চাপ বাড়াচ্ছে

চুয়েটে অচলাবস্থা, সংকট নিরসন কমিটিতেও নেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি

Reporter Name / ১০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬

শিক্ষা ডেস্ক: নতুন উপাচার্য নিয়োগের জেরে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় এক মাস ধরে চলমান অচলাবস্থায় শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে সাবেক উপাচার্যকে অপসারণ করে নতুন উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকেই ক্যাম্পাসে তীব্র অসন্তোষের সূত্রপাত হয়। এর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেন এবং পরবর্তীতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও কর্মবিরতি ও অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দেন। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির সকল বিভাগের ক্লাস ও চূড়ান্ত পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনকে চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

এই দীর্ঘমেউদি সংকট মোকাবেলার উপায় খুঁজতে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের একটি অনলাইন সভা অনুষ্ঠিত হয়। তবে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট ওই সিন্ডিকেট সভায় মাত্র ছয়জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন এবং উপাচার্য ছাড়া সেখানে চুয়েটের কোনো শিক্ষক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। মোট সদস্যের প্রায় ৬০ শতাংশের অনুপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে একটি নিরপেক্ষ ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠনের সুপারিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকেই বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন একটি বিশেষ পরামর্শক কমিটি গঠন করে।

গঠিত ছয় সদস্যের ওই বিশেষ কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন এবং সদস্যসচিব হিসেবে আছেন অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. মহিবুল আহসান। এ ছাড়া কমিটিতে বুয়েট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবকে রাখা হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হলো, এত বড় একটি সংকট নিরসন কমিটিতে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কোনো শিক্ষক বা প্রতিনিধিকে রাখা হয়নি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়কে বাইরে রেখে গঠিত এই কমিটি শেষ পর্যন্ত কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে, তা নিয়ে শুরুতেই নানা মহলে সংশয় ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এদিকে চুয়েটকে সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে কমিটি গঠন করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। চুয়েট শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক সামিউন বাসির প্রশ্ন তুলেছেন যে, যে সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে এই কমিটি গঠিত হয়েছে, সেই সভার বৈধতা নিয়েই যেখানে প্রশ্ন রয়েছে, সেখান থেকে সুফল আশা করা যায় না। অন্যদিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরাও তাদের পূর্বঘোষিত অবস্থান অনড় রয়েছেন এবং বর্তমান উপাচার্যকে প্রত্যাখ্যান করে তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংকট সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল পক্ষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com