• শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
কাঠামোগত ফাঁদে আটকে আছে দেশের অর্থনীতি: হোসেন জিল্লুর রহমান তাঁরা এক বিসিএসে ক্যাডার হয়ে চাকরি করছেন, আরেকটিতে বাদ ‘ভেরিফিকেশনে’ লাখ টাকায় শুরু, ৫ বছরে আড়াই কোটি টাকার কোটপিনের ব্যবসা খালেদা বেগমের শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় ভারতের সুপ্রিম কোর্টের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উইন্টার কোর্স, উন্নয়নসংক্রান্ত নানা বিষয়ে হাতে–কলমে প্রশিক্ষণ ফ্রেজার–ম্যাগার্কের ১৪ বলের ফিফটিতে নতুন কিছু দেখল অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দুর্গাপূজায় নাশকতার হুমকির তথ্য নেই, স্বার্থান্বেষী মহল চেষ্টা করতে পারে: ফায়ার সার্ভিস সরকারি গুদামে সার, চরে চরে হাহাকার পূজার ছুটিতে খোলা থাকবে দেশের সব কাস্টম হাউস ও শুল্ক স্টেশন শিশু হাসপাতালে কক্ষেই চিকিৎসকের ধূমপান, দেখেই বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় ভারতের সুপ্রিম কোর্টের

Reporter Name / ৯ Time View
Update : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ডিজিটাল মাধ্যমে শিশুদের প্রবেশাধিকার এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের স্বাধীনতাকে মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। দেশটির শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, সংবিধানের ২১ এবং ১৯(১)(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বয়সের ভেদাভেদ ছাড়াই সব নাগরিকের মতো শিশুরাও ইন্টারনেট ব্যবহারের সমান সাংবিধানিক অধিকার ভোগ করে। সম্প্রতি এক মামলার শুনানিতে এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দেয় আদালত, যা শিশু অধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আদালত তার রায়ে শিশুদের বয়স বিবেচনায় ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর যেকোনো ধরনের সাধারণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে। বিচারপতিরা মনে করেন, ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার চেয়ে বরং অনলাইনে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অনেক বেশি জরুরি। সেক্ষেত্রে কেবল কড়াকড়ি না বাড়িয়ে অভিভাবকদের নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে, যাতে শিশুরা সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশে প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে।

অনলাইন সুরক্ষার অংশ হিসেবে শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত অবৈধ ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে কেন্দ্রীয় সরকারকে দ্রুত একটি বিশেষ জাতীয় ডেটাবেস তৈরির নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে এ ধরনের ক্ষতিকর ও অপরাধমূলক কনটেন্ট দ্রুত শনাক্ত করে তা ইন্টারনেট থেকে চিরতরে মুছে ফেলতে ডিজিটাল প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং সুনির্দিষ্ট কার্যপদ্ধতি প্রণয়নের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত জানিয়েছে, শিশুদের সুরক্ষায় কর্র্তৃপক্ষের এই উদাসীনতা ও নিষ্ক্রিয়তা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। বিচারপতিরা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, ভার্চুয়াল দুনিয়ায় শিশুদের যৌন নিপীড়নমূলক কোনো কনটেন্টের বিন্দুমাত্র স্থান হতে পারে না এবং অপরাধীদের দমনে কঠোর ডিজিটাল পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com