• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ

তাঁরা এক বিসিএসে ক্যাডার হয়ে চাকরি করছেন, আরেকটিতে বাদ ‘ভেরিফিকেশনে’

Reporter Name / ১০ Time View
Update : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বা বিসিএস পরীক্ষার দীর্ঘ ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া শেষ করেও অনেক প্রার্থী কাঙ্ক্ষিত চাকরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিশেষ করে পুলিশ ভেরিফিকেশন বা নিরাপত্তা প্রতিবেদনের কারণে বহু মেধাবী তরুণ শেষ মুহূর্তে এসে আটকে যাচ্ছেন। সম্প্রতি এমনই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে, যেখানে দেখা গেছে একজন প্রার্থী একটি বিসিএসে ক্যাডার হিসেবে কর্মরত থাকা সত্ত্বেও অন্য একটি বিসিএসের চূড়ান্ত সুপারিশে বাদ পড়েছেন।

ভুক্তভোগী ওই প্রার্থীর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ইতিপূর্বে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে ক্যাডার পদে সফলভাবে যোগদান করে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রশ্ন উঠেছে যে, যদি তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের নেতিবাচক তথ্য বা গোয়েন্দা আপত্তি থেকেই থাকত, তবে তিনি কীভাবে সরকারি বাহিনীতে ক্যাডার হিসেবে চাকরি পান এবং দায়িত্বশীল পদে বহাল থাকেন? এই ধরনের বৈপরীত্যমূলক সিদ্ধান্তে ভুক্তভোগী প্রার্থীরা চরম মানসিক হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষক ও চাকরিপ্রার্থীরা বলছেন, পুলিশ ভেরিফিকেশন বা পূর্বী যাচাই প্রক্রিয়া বর্তমানে অনেকটাই ত্রুটিপূর্ণ ও এককেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও সাধারণ প্রার্থীরা গোয়েন্দা প্রতিবেদনের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কোনো প্রকার আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই শুধু নেতিবাচক রিপোর্টের ভিত্তিতে মেধাবীদের বাদ দেওয়ার ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রমেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

এ ধরনের জটিলতার অবসান ঘটাতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনার দাবি জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় কোনো অভিযোগ থাকলে তা প্রার্থীর সামনে স্পষ্ট করা উচিত এবং তার সত্যতা যাচাইয়ের যথাযথ সুযোগ থাকা দরকার। অন্যথায় মেধার ভিত্তিতে নির্বাচিত হয়েও যোগ্য প্রার্থীরা কেবল প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রিতা ও ত্রুটিপূর্ণ রিপোর্টের গ্যাঁড়াকলে পড়ে বঞ্চিত হতেই থাকবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com