• শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ক্যাম্পাসে সম্প্রীতি রক্ষায় জবি ছাত্রদলের আহ্বান মিয়ানমারের জান্তা–সমর্থিত সরকারের সঙ্গে টোকিওতে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন বৈঠক মিষ্টির শূন্য আসনে মনোনয়ন কিনলেন ৭০ নেত্রী সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বব্যবস্থার শাসকদের মধ্যে গভীর ঐক্য রয়েছে: আনু মুহাম্মদ কিছু মৌলিক সংস্কার প্রস্তাবে মতপার্থক্য রয়ে গেছে ধর্মীয় উৎসব পালনে নিরাপত্তা চাওয়ার পরিস্থিতি দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার সমান: কৃষিমন্ত্রী ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: সেতুমন্ত্রী জামায়াতের সঙ্গে এনসিপি একাকার হওয়ার অভিযোগ তুলে দল ছাড়লেন কেন্দ্রীয় নেতা ভারত থেকে এল ১৮ নতুন রেলকোচ, আসবে আরো ১৮২

সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বব্যবস্থার শাসকদের মধ্যে গভীর ঐক্য রয়েছে: আনু মুহাম্মদ

Reporter Name / ১১ Time View
Update : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পুঁজিবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী শাসকদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা থাকলেও সাধারণ মানুষের স্বার্থবিরোধী নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে গভীর ও অদৃশ্য ঐক্য বজায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও প্রাবন্ধিক আনু মুহাম্মদ। সম্প্রতি এক সমাবেশে বক্তৃতাকালে তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন এবং বর্তমান বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কর্পোরেট স্বার্থ রক্ষার্থে বিশ্বজুড়ে শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষের অধিকার হরন করা হচ্ছে এবং এর পেছনে রয়েছে বৃহৎ শক্তিগুলোর যৌথ অবস্থান।

রাজধানীতে আয়োজিত ওই সমাবেশে বক্তারা বিভিন্ন দেশের সমসাময়িক জনআন্দোলনের ওপর আলোকপাত করেন এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেন। বিশেষ করে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন রাষ্ট্রে চলা অধিকারভিত্তিক আন্দোলনগুলোর প্রতি সংহতি প্রকাশ করা হয় এই মঞ্চ থেকে। আয়োজকরা মনে করেন, বৈশ্বিক পুঁজিবাদী ব্যবস্থার কারণে সৃষ্ট বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে সাধারণ মানুষকে একত্রিত হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আন্তর্জাতিক সংহতির ওপর বিশেষ জোর দিয়ে বলেন যে, সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো যখন সীমানা পেরিয়ে বিভিন্ন দেশে প্রভাব বিস্তার করে, তখন নিপীড়িত জনগণেরও আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলা জরুরি। তারা উল্লেখ করেন যে, আঞ্চলিক বা দেশীয় সংকটের মূল শেকড় অনেক সময় বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামোর সঙ্গেই গভীরভাবে জড়িত থাকে। তাই স্থানীয় আন্দোলনগুলোকে সফল করতে হলে বৃহত্তর পরিসরে সচেতনতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সমাবেশ থেকে ভারত, পাকিস্তান, ফ্রান্স ও বেলজিয়ামসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চলা ছাত্র-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করা হয়। বক্তারা অভিযোগ করেন, এসব দেশের রাষ্ট্রযন্ত্র জনগণের ন্যায়সংগত দাবি দাওয়া পূরণের বদলে দমনপীড়নের পথ বেছে নিচ্ছে, যা সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্যেরই বহিঃপ্রকাশ। এই ধরনের দমনমূলক নীতির তীব্র নিন্দা জানিয়ে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ আগামী দিনে জনস্বার্থ রক্ষায় আরও কঠোর ও সম্মিলিত আন্দোলন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com