• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
অস্ত্র নিয়ে কাউকে ভয় দেখাইনি, সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলছি: ইশরাক প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর দুই দেশের সম্পর্ক উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত করবে: জহির উদ্দিন স্বপন ইইউতে পোশাক রপ্তানি কমেছে বাংলাদেশের, বেড়েছে চীনের ২০ অক্টোবর রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে যেসব কর্মসূচি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি, তবে সংস্কারের সীমিত বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ ওমানে জয়ে শুরু যুবাদের চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৬৪ বস্তা সার জব্দ, কৃষকদের কাছে বিক্রি ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সবার জন্য বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাওয়া প্রাণীদের দেখা মিলল রাতের আঁধারে

৮-১০ লাখে যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৭ জনের ৫ জনই সরকারি কর্মচারী

Reporter Name / ১৭ Time View
Update : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের চাঞ্চল্যকর ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বা এসআরবির একটি দল রাজধানী ও এর আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে এই চক্রের সদস্যদের আটক করে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে যে, প্রশ্নপত্র এবং তার সমাধান দেওয়ার বিনিময়ে প্রতিটি প্রার্থীর কাছ থেকে আট থেকে দশ লাখ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। তবে এই প্রশ্নপত্র ফাঁসের মূল উৎস বা মূল হোতারা কারা, তা এখনো পুরোপুরি উদ্ঘাটন করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

গ্রেপ্তার হওয়া সাত ব্যক্তির মধ্যে পাঁচজনই বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের বিভিন্ন পদে কর্মরত রয়েছেন। বাকিদের মধ্যে দুজন চাকরিপ্রত্যাশী বলে জানিয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের ২৪২টি শূন্যপদে নিয়োগের জন্য এই বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা নির্ধারিত ছিল। এই বিশাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য প্রায় তিন লাখ ১৯ হাজার চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেছিলেন। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় কর্তৃপক্ষ শেষ মুহূর্তে পরীক্ষাটি স্থগিত করতে বাধ্য হয়।

এসআরবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ১৪ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত চলা অভিযানে প্রথমে মতিঝিল ও উত্তরখান এলাকা থেকে চক্রের কয়েকজনকে ধরা হয়। পরবর্তীতে তাঁদের দেওয়া তথ্য ও মোবাইল ফোনের চ্যাট পর্যালোচনা করে সাভার ও মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাকিদের আটক করা হয়। চক্রের সদস্যরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করতেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা ফেসবুকের মাধ্যমে প্রশ্ন পাওয়ার দাবি করলেও তদন্ত দল বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করে দেখছে।

অভিযানের সময় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে প্রশ্নপত্রের একটি সেট, প্রচুর পরিমাণ ব্যাংক চেক, স্ট্যাম্প, বিভিন্ন পরীক্ষার প্রবেশপত্র এবং বেশ কিছু মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিজস্ব কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী এই জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এদিকে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের জালিয়াতির পাশাপাশি স্থগিত হওয়া পরীক্ষাটি নতুন করে আয়োজনের দিনে রাজধানীর একটি কেন্দ্র থেকে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে এক পরীক্ষার্থীকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সমগ্র চক্রের নেটওয়ার্ক ধ্বংস করতে এবং এর পেছনে থাকা অন্য কুশীলবদের খুঁজে বের করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com