• শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
পরিবার ও কর্মজীবনে সম্পর্ক ভালো রাখতে আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার ওপর গুরুত্ব আউশ, আলু ও গমের উৎপাদন কমেছে পীরগঞ্জে দুর্গাপূজা উপলক্ষে পৌর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির শাড়ি লুঙ্গি বিতরণ অধিদপ্তরের কাছে পাত্তাই পাচ্ছে না স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বন্দর লিজের আগে জনগণের মতামত নেওয়ার আহ্বান সাইফুল হকের বন্ধ হচ্ছে না শেয়ারবাজারের বিনিয়োগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিএএসএম প্লাস্টিক দূষণ কমাতে উৎপাদনকারীদের দায়িত্ব নেওয়ার তাগিদ সিলেটকে নান্দনিক ও শান্তির নগরী করার প্রতিশ্রুতি বিকেএম প্রার্থী আতাউরের সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা ঠেকাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: এমপি ফাহমিদা জার্মানির সব রেলস্টেশনে অ্যালকোহল নিষিদ্ধ

অধিদপ্তরের কাছে পাত্তাই পাচ্ছে না স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

Reporter Name / ১০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: সরকারি নানা নির্দেশনা এবং বিদ্যমান আইন অমান্য করার প্রবণতা দেখা গেছে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কার্যক্রমে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বারবার সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ও নীতিমালা অনুসরণের তাগিদ দেওয়া হলেও তা আমলে নিচ্ছে না সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর। বিশেষ করে কেনাকাটায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টির যে তাগিদ মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া হয়েছিল, তা কার্যত উপেক্ষিতই থেকে গেছে। অধিদপ্তরের এমন মনগড়া কার্যক্রমে মন্ত্রণালয়ের ভেতরে অসন্তোষ দানা বাঁধছে।

মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের তোয়াক্কা না করে সম্প্রতি শত কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর। এই দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম দূর করতে সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হলেও অধিদপ্তর থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। বিগত সরকারের শাসনামলে এই অধিদপ্তরের কেনাকাটায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি বর্তমান প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দপ্তরে সিন্ডিকেট ভাঙার জোরালো উদ্যোগ নেওয়া হলেও স্বাস্থ্য খাতের এই গুরুত্বপূর্ণ অধিদপ্তরটিতে তা কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না।

অভিযোগ রয়েছে, মাতৃত্বকালীন বিভিন্ন ওষুধ ক্রয়ের জন্য যে দরপত্র ডাকা হয়েছে, তাতে অপ্রয়োজনীয় ও কঠিন শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন অনুযায়ী নতুন ও নবীন উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ সীমিত করে এমন শর্ত আরোপের সুযোগ না থাকলেও, তা লঙ্ঘন করেই শর্ত তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে বিগত সরকারের আমলে সুবিধাভোগী নির্দিষ্ট কিছু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানই একচেটিয়া কাজ পাওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে নির্দেশনা দেওয়া সত্ত্বেও গত দুই সপ্তাহেও দরপত্রের শর্ত শিথিল করার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি অধিদপ্তর।

এদিকে ১৯৭৬ সালের জনসংখ্যা নীতির আওতায় মাঠপর্যায়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতনতা তৈরি ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী বিতরণের বৈপ্লবিক কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে আছে। কাগজে-কলমে বরাদ্দ এবং ব্যয় বৃদ্ধি পেলেও প্রত্যন্ত অঞ্চলের কমিউনিটি ক্লিনিক ও হাসপাতালে প্রয়োজনীয় সামগ্রীর ঘাটতি লেগেই থাকে। প্রচার-প্রচারণাও এখন প্রায় বন্ধের পথে। এসব জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নজর না দিয়ে অধিদপ্তর কেবল কেনাকাটাকেন্দ্রিক কার্যভাবেই বেশি ব্যস্ত রয়েছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট মহলের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com