• শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ভারত থেকে এল ১৮ নতুন রেলকোচ, আসবে আরো ১৮২ দুর্গাপূজায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানালেন ড. ইউনূস দেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার, অর্ধেকের যোগ্যতা পুরোপুরি কাজে লাগছে না বাংলাদেশের মতো সরকার পতনে বিজেপি কেন সতর্ক করছে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখো, বিশ্বজুড়ে… | স্টাডি অ্যাব্রোড ফেয়ার ২০২৬ | পর্ব-০৩ ভোলায় গ্যাস সংযোগসহ ৫ দাবিতে ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি পানির ট্যাংকের ওপর লক্ষ্মী প্যাঁচার সংসার—নিউইয়র্কে পর্যটকদের নতুন আকর্ষণ কেন হারিয়ে যাচ্ছে নকশা আঁকা টমটম গাড়ি শাঁখামুটি, গন্ধগোকুলের বিশাল অবয়ব দর্শনার্থীদের কী মনে করিয়ে দিচ্ছে বিমানবন্দরে প্রবাসী হয়রানি বন্ধ না হলে রেমিট্যান্স শাটডাউনের হুমকি

সংসদের সাউন্ড সিস্টেম কেনায় শত কোটি টাকা অনিয়মের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে: দুদক

Reporter Name / ১৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট: জাতীয় সংসদ ভবনের প্লেনারি হলে আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন এবং এর রক্ষণাবেক্ষণের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে বর্তমানে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুসন্ধান পরিচালনা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন। অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এবং এর শীর্ষ কর্মকর্তা সহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করা হয়। কমিশনের মহাপরিচালক মোহাম্মদ নাজমুল হাসান জানান, কমিউনিকেশন টেকনোলজি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুর রহিম জোয়ারদারসহ অন্যান্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক সত্যতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানের তথ্য অনুযায়ী, বিগত সরকারের আমলের শেষ দিকে সংসদ ভবনের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত কাজের জন্য বড় অংকের সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীতে সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সময়ে একাধিকবার ওই সাউন্ড সিস্টেমে বড় ধরনের কারিগরি ত্রুটি ও বিভ্রাট দেখা দেয়। এমনকি পরবর্তীতে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সময় সিস্টেমে নতুন করে ক্ষতি সাধিত হলে আবারও একই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে মেরামতের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

জানা গেছে, সংসদ ভবনের এই সাউন্ড সিস্টেম সংস্কার ও মেরামতের কাজের জন্য প্রায় ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল যার মধ্যে অন্তত ৫ কোটি টাকা ইতিমধ্যে খরচ দেখানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট গণপূর্ত প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের যোগসাজশে সরকারি তহবিল থেকে এই অর্থ লোপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত ঠিকাদারের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য খাতের কেনাকাটায় দুর্নীতির মাধ্যমে শত কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগও রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com