• বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

বড় শহরগুলোর ৯০ ভাগ স্কুলের পাশেই অস্বাস্থ্যকর খাবারের দোকান

Reporter Name / ১০ Time View
Update : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

স্বাস্থ্য ডেস্ক: দেশের বড় শহরগুলোর মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর আশপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবারের সহজলভ্যতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, বড় শহরগুলোর প্রতি দশটি স্কুলের নয়টির আশপাশেই অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রির দোকান রয়েছে। এসব এলাকার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন স্ন্যাকসের দোকান, সুপারমার্কেট এবং বিশেষায়িত মিষ্টির বিপণন কেন্দ্র। হাতখরচের টাকা দিয়ে খাবার বা পানীয় কেনার সময় শিক্ষার্থীরা প্রায় সবসময়ই এসব মুখরোচক কিন্তু ক্ষতিকর খাবারগুলো বেছে নেয়।

শিশুদের খাদ্যাভ্যাস ও অধিকার নিয়ে কাজ করা ডাচ ফুড সেন্টারের প্রতিনিধি লিসবেথ ভেলেমা এই পরিস্থিতিকে অত্যন্ত অ্যালার্মিং বা উদ্বেগজনক বলে অভিহিত করেছেন। ডাচ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, শিশুদের কাছে চিনিযুক্ত বা অতিরিক্ত চর্বিসমৃদ্ধ খাবারের অবাধ লভ্যতা তাদের শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। তার মতে, প্রথাগতভাবে স্বাস্থ্যকর খাবারের স্বাদ শিশুদের কাছে কম আকর্ষণীয় হওয়ায়, তারা সহজেই হাতের কাছে থাকা ফাস্টফুড বা প্রক্রিয়াজাত খাবারের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

ইউনিসেফের ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সি কিশোর-কিশোরীরা যেসব খাবার কেনে তার প্রায় ৭৫ শতাংশই অস্বাস্থ্যকর। ক্লাসের বিরতির সময় শিক্ষার্থীরা খুব সহজেই সসেজ রোল, ক্যান্ডি, চিপস এবং বিভিন্ন ধরনের কোমল পানীয় কিনে খাচ্ছে। বর্তমানে স্কুলগুলোর আশপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রির ওপর কোনো কঠোর আইনি নিষেধাজ্ঞা বা নিয়ন্ত্রণ না থাকায় এই প্রবণতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। স্থানীয় পৌরসভাগুলো এই পরিস্থিতি বদলাতে চায় এবং শিশুদের সুরক্ষায় কঠোর আইন প্রণয়নের ওপর জোর দিয়েছে।

এদিকে, সম্প্রতি আমস্টারডাম ইউএমসি পরিচালিত একটি গবেষণায়ও প্রায় একই রকম চিত্র উঠে এসেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৯৪ শতাংশ মাধ্যমিক ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চারপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রির দোকান রয়েছে। এর প্রেক্ষিতে আলমেয়ার, আমস্টারডাম, রোটারডাম, দ্য হেগসহ চৌদ্দটি পৌরসভার একটি জোট স্থানীয় এলাকায় নতুন দোকান বা ব্যবসার অনুমোদনের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছে। তারা মনে করছেন, শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সুপারমার্কেটগুলোকে স্বাস্থ্যকর খাবার বিপণনে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com