• মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বঙ্গোপসাগরে স্যাটেলাইট দিয়ে নজরদারি করতে চায় সরকারি কোম্পানি, ব্যয় ৬০০ কোটি টাকা সৈয়দপুর রেলকারখানায় কোচ সংস্কারের মান নিয়ে ক্ষুব্ধ মন্ত্রী, কাজ বন্ধের নির্দেশ প্রবাসীদের সম্পদের বিরোধ নিষ্পত্তিতে গঠিত হচ্ছে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল: আইনমন্ত্রী মেঘনায় মুক্তিযোদ্ধাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ প্রতিবাদে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন ওমানের সঙ্গে সিইপিএ চুক্তির উদ্যোগ, বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপন যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ সমর্থকদের হেনস্তায় যুবশক্তির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ আমিরাতে কর্মসংস্থানের নতুন দুয়ার খুলতে মাহ্দী আমিনের বৈঠক চুয়েটের আন্দোলনে ‘রাজনীতি’ দেখছেন সরকারের কেউ কেউ, শিক্ষার্থীরা বলছেন ভিন্ন কথা বঙ্গোপসাগরে নজরদারি করবে ৪ স্যাটেলাইট, কীভাবে কাজ করবে এ ব্যবস্থা?

ওমানের সঙ্গে সিইপিএ চুক্তির উদ্যোগ, বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ

Reporter Name / ১০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশ ওমানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস এবং রপ্তানি বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ওমানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে এই অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির অংশ নেন এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের সদস্য এই দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। দুই দেশের দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ককে কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপান্তর করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে বলে জানানো হয়।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে একটি ‘সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি’ বা সিইপিএ স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ওমানের রাষ্ট্রদূত ভারতের সঙ্গে তাদের পূর্বের অর্থনৈতিক চুক্তির অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বাংলাদেশের সঙ্গেও এমন চুক্তি করার প্রস্তাব রাখেন। বাণিজ্যমন্ত্রী এই ইতিবাচক প্রস্তাবকে স্বাগত জানান এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রস্তুতি ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে উভয় দেশের মধ্যকার ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

বাণিজ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি দুই দেশের ব্যবসায়ীদের পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়াতে এফবিসিসিআই এবং ওমান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির যৌথ উদ্যোগে একটি বিজনেস কাউন্সিল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী। প্রাথমিকভাবে ভার্চুয়াল বৈঠকের মাধ্যমে এবং পরবর্তীতে প্রতিনিধিদল বিনিময়ের মাধ্যমে এই কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, ওমানের বিভিন্ন বন্দর ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন ওমানের রাষ্ট্রদূত। এই সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকাসহ বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রসার ঘটানো সম্ভব হবে।

বৈঠকে ওমানের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রায় সাত লাখ প্রবাসীর অবদানের কথা স্মরণ করা হয় এবং শ্রমবাজারের পরিধি আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। ওমানের ঐতিহ্যবাহী কুমা টুপি তৈরিতে বাংলাদেশের নারী কারিগরদের দক্ষতার প্রশংসা করেন সে দেশের রাষ্ট্রদূত। এ ছাড়া ব্যবসায়িক ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং দুই দেশের সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাণিজ্যসচিবসহ উভয় দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই বৈঠক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে মনে সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com