• শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সিলেটকে নান্দনিক ও শান্তির নগরী করার প্রতিশ্রুতি বিকেএম প্রার্থী আতাউরের সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা ঠেকাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: এমপি ফাহমিদা জার্মানির সব রেলস্টেশনে অ্যালকোহল নিষিদ্ধ ট্রাম্প প্রশাসনে শীর্ষ পদ হারাচ্ছেন নারীরা ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসায় সব ধরনের নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ ১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম, ক্ষুধা কমানোয় অগ্রগতি ধীর মার্কিন চুক্তি আসলে চুক্তি নয়, এটা ট্রাম্পের আদেশনামা: আনু মুহাম্মদ পঞ্চবটি-মুক্তারপুর দোতলা সড়ক পরিদর্শনে মন্ত্রী, দিলেন মান নিশ্চিতের নির্দেশ স্বপ্ন বাস্তবায়নে লক্ষ্য নির্ধারণ ও কঠোর পরিশ্রম জরুরি: প্রতিমন্ত্রী হাবিব চাঁদাবাজি রোধে নতুন আইনের চিন্তা সরকারের

প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি লটারিতে, অন্যগুলোতে পরীক্ষার মাধ্যমে

Reporter Name / ১১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তির প্রক্রিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা নিয়মের ধারাবাহিকতায় এবারও প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। অন্যদিকে, দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে শুরু করে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণিতে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমেই নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং শিশুদের ওপর থেকে অতিরিক্ত প্রতিযোগিতার চাপ কমাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিভাবকদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে এবং বিভিন্ন শিক্ষাবিদের মতামতের ভিত্তিতে এমন নিয়ম চালু রাখা হয়েছে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা বলছেন, কচি বয়সে শিশুদের ওপর ভর্তি পরীক্ষার মানসিক চাপ কমাতেই প্রথম শ্রেণিতে লটারিভিত্তিক ভর্তি প্রক্রিয়া অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। কারণ এই বয়সে শিশুদের পরীক্ষা গ্রহণের নামে যাচাই-বাছাই করা এক ধরনের মানসিক নিপীড়নের শামিল। তাই সব শিশুর জন্য সমান সুযোগ তৈরি করতে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে তদবির বা বাণিজ্য রোধে লটারি পদ্ধতিকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এতে করে কোনো ধরনের বৈষম্য ছাড়াই ভাগ্য ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে শিশুরা তাদের পছন্দের স্কুলে পড়ার সুযোগ পাবে।

তবে দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে ওপরের দিকের শ্রেণিগুলোতে মেধার সঠিক মূল্যায়নের জন্য প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই শ্রেণিগুলোতে শিক্ষার্থীদের বয়স এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ কিছুটা থিতু হয়, ফলে তারা লিখিত বা মেধাভিত্তিক পরীক্ষার চাপ নেওয়ার উপযুক্ত হয়ে ওঠে। আসন সংখ্যার তুলনায় আবেদনকারীর সংখ্যা অনেক বেশি থাকায় কেবল মেধার ভিত্তিতেই যোগ্য শিক্ষার্থীদের এই ধাপগুলোতে নির্বাচন করা সম্ভব হয়। পরীক্ষা নেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষার মান বজায় রাখা এবং প্রকৃত মেধাবীদের বাছাই করাই এর মূল লক্ষ্য।

খুব শীঘ্রই শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এই ভর্তি প্রক্রিয়ার সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও সময়সূচি প্রকাশ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোতে কীভাবে আবেদন করতে হবে, ফি কেমন হবে এবং লটারি বা পরীক্ষার তারিখ কবে নির্ধারণ করা হবে— সে বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা ওই নীতিমালায় উল্লেখ থাকবে। সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং অভিভাবকদের এই নির্ধারিত নিয়মকানুন মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে যাতে পুরো ভর্তি কার্যক্রম শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com