• বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে চাকরি বঞ্চিত হবে বিপুলসংখ্যক তরুণ ৬০ বছর বয়সে এসে সন্তান নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন সালমান খান সরকার আমার পক্ষে, ক্যাম্পাসে ফিরবো না এই শর্ত দেইনি: চুয়েট ভিসি বিরোধিতার মাঝে ঐক্যের প্রত্যাশা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন: কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড লিথিয়াম–আয়ন ব্যাটারি উৎপাদনে যাচ্ছে ওয়ালটন ও প্রাণ–আরএফএল গ্রুপ মূল্যস্ফীতি ও প্রবৃদ্ধিতে নীতির টানাপোড়েন যুক্তরাষ্ট্রে ইউনূসকে ফ্যাসিস্টদের হেনস্তা ২,৪৮০ পদে নার্স ও মিডওয়াইফ নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু কবে চীনে সবচেয়ে বড় ডেটা সেন্টার তৈরি হচ্ছে

চীনে সবচেয়ে বড় ডেটা সেন্টার তৈরি হচ্ছে

Reporter Name / ১৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে বিশাল উদ্যোগ নিয়েছে চীন। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় উলাঞ্চাব শহরে প্রায় ৯০টি সুবিশাল ডেটা সেন্টার নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বেইজিং প্রশাসন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের অবকাঠামো উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে চীনকে প্রতিষ্ঠিত করতেই এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এসব তথ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে মূলত দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে উলাঞ্চাবে ‘এনভিশন গ্যালাক্সি ক্যাম্পাস’ নামের একটি বিশাল ডেটা সেন্টার গড়ে তোলা হচ্ছে, যার আয়তন প্রায় ২০টি ফুটবল মাঠের সমান। এই কেন্দ্রটির বিশেষত্ব হলো, এর মোট জ্বালানি চাহিদার ৮০ শতাংশের বেশি সরবরাহ করা হবে সরাসরি স্থানীয় বায়ুকল বা উইন্ড ফার্ম থেকে। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র এআই ডেটা সেন্টার ও কম্পিউটিং ক্ষমতার দিক থেকে এগিয়ে থাকলেও, চীন তার নিজস্ব কৌশল ও সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

উলাঞ্চাবের এই অগ্রযাত্রার পেছনে মূল ভূমিকা পালন করছে দ্রুত অবকাঠামো নির্মাণের সক্ষমতা, সুলভ ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানির প্রাপ্যতা এবং জনসাধারণের বা স্থানীয় কোনো বড় অসন্তোষ না থাকা। এর ফলে মাত্র দুই বছরের মধ্যেই সেখানে গড়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে বায়িন বিগ ডেটা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক। আগামী পাঁচ বছরে দেশের তথ্য ও প্রযুক্তি অবকাঠামো সম্প্রসারণের জন্য প্রায় ৫৬ হাজার কোটি ডলারের বিশাল বিনিয়োগ পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে চীন।

অবশ্য এই বিশাল অগ্রযাত্রার পথে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে, যার মধ্যে উন্নতমানের সেমিকন্ডাক্টর চিপের সংকট অন্যতম। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে উন্নত চিপের অবাধ প্রবেশাধিকার না থাকলেও, চীন এই ঘাটতি পুষিয়ে নিচ্ছে নবায়নযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে। বৈশ্বিক প্রযুক্তির বাজারে এই অভিনব কৌশল চীনকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শক্ত প্রতিদ্বন্দী হিসেবে টিকিয়ে রাখতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com