• বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সাগরে তেল-গ্যাসের ইজারা পেছাল ৪ মাস ঐকমত্য চান শিক্ষাবিদেরা, বিরোধী দল অংশ নেবে, আশা সরকারের বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বৈদেশিক মুদ্রাসহ প্রায় ২৪ কেজি সোনা–রুপার অলংকার মিলল পাগলা মসজিদের দানসিন্দুকে বিশ্ববাজারে চিংড়ির প্রতিযোগিতা বাড়াতে ৬০০ চাষিকে নিয়ে উদ্যোগ স্কুলে শিক্ষক–শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল, পরে যা জানা গেল ফরিদপুর মেডিকেলে বাক্সবন্দী ২৩ কোটি টাকার যন্ত্র, অ্যাম্বুলেন্স ভাড়াও গায়েব প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি লটারিতে, অন্যগুলোতে পরীক্ষার মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্রের সময়সীমা বৃদ্ধি সমাজে নারীর অবস্থান নিয়ে আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে: সারা হোসেন

শ্রেণিকক্ষে খাট পেতে থাকছেন কলেজ অধ্যক্ষ

Reporter Name / ১৪ Time View
Update : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ও নিয়মশৃঙ্খলা নিয়ে প্রায়ই বিভিন্ন প্রশ্ন ওঠে, তবে এবার এক সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অফিসকক্ষে খাট পেতে থাকার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম তার কার্যালয় হিসেবে নির্ধারিত কক্ষটিকেই মূলত থাকার জায়গা হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো একটি জনবহুল ও পবিত্র স্থানে এমন কর্মকাণ্ডের খবর জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় এলাকাবাসী ও সচেতন মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। সরকারি দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন আচরণ প্রতিষ্ঠানের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করছে বলে মনে করছেন অনেকে।

প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন সূত্র ও নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ওই কলেজের প্রশাসনিক কাজের জন্য নির্ধারিত কক্ষটিতে দীর্ঘদিন ধরেই একটি খাট পেতে রাখা হয়েছে। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কলেজ ক্যাম্পাসে অধ্যক্ষের কক্ষটি শুধুমাত্র দাপ্তরিক কাজের জন্য ব্যবহারের কথা থাকলেও, সেখানে ব্যক্তিগত আরাম-আয়েশের এই বন্দোবস্ত দেখে হতবাক হয়েছেন পরিদর্শনে আসা অনেকেই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ভবনের ভেতরে এ ধরনের ব্যক্তিগত ব্যবহারের উপস্থিতি নিয়মের বরখেলাফ কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা এই সমস্ত অভিযোগ এবং কক্ষের ভেতরে খাট রাখার বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম। তিনি দাবি করেছেন যে, কক্ষটিতে একটি খাট থাকলেও তিনি মূলত সেখানে কখনো রাত্রিযাপন করেন না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নানা দাপ্তরিক ব্যস্ততা এবং অতিরিক্ত কাজের চাপের কারণে মাঝেমধ্যে সামান্য বিশ্রামের জন্য কক্ষটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে, কিন্তু সেখানে রাত কাটানোর কোনো ঘটনা ঘটেনি।

শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের প্রধানরাই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হয়। কিন্তু এ ধরনের ঘটনা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন শিক্ষা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো তদন্ত বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয় কি না, এখন সেটাই দেখার বিষয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com