• মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
পত্রিকা: ‘হুথি-সৌদি সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বহুমুখী সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ’ ১২ বছরে গ্রামীণ ঋণে কৃষির অংশ কমেছে ৯ শতাংশ পাটে শুল্কের খড়্গ বসিয়ে ঢাকার কাছে ফলে ছাড় চায় ভারত দলে শৃঙ্খলা ফেরাতে ব্যতিব্যস্ত বিএনপি শিশুর ডিএনএ টেস্টের দাবি, বাংলাদেশে চাইলেই কি এই টেস্ট করা যায়? অর্থনীতি পাল্টে দিচ্ছে বিশ্বরাজনীতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২টি ভাষা শেখার সুযোগ ছোট পর্দায় বাংলাদেশ-আফগানিস্তান টেস্টের সঙ্গে থাকছে চ্যাম্পিয়নস লিগের অনেক ম্যাচ দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় মাঠে থাকবে ১০ হাজার বিজিবি ‘প্রাথমিক শাখা’ চালুর গুজবে ক্লাসবর্জন করে বিক্ষোভ শিক্ষার্থীদের

শিশুর ডিএনএ টেস্টের দাবি, বাংলাদেশে চাইলেই কি এই টেস্ট করা যায়?

Reporter Name / ১০ Time View
Update : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি শিশুকে ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল। বাদামী চুল এবং ফর্সা শারীরিক গঠনের এই শিশুটিকে প্রথম দেখায় অনেকেই বিদেশি বলে মনে করছেন। সম্প্রতি এক দম্পতি শিশুটিকে নিজেদের সন্তান বলে দাবি করার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে নেটদুনিয়ায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। তবে এই দাবি সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়ে শিশুটির বর্তমান পরিবার জানিয়েছে, এই অভিযোগ ভিত্তিহীন।

শিশুটি কার প্রকৃত সন্তান— তা নিয়ে যখন বিতর্ক দানা বাঁধছে, তখন জনমনে একটি বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সেটি হলো, সাধারণ কেউ চাইলেই কি বাংলাদেশে যেকোনো শিশুর ডিএনএ টেস্ট করাতে পারেন? দেশের প্রচলিত আইন এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার নিয়ম অনুযায়ী, চাইলেই হুট করে কারও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ বা পরীক্ষা করা সম্ভব নয়। এ ধরনের পরীক্ষার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু আইনি প্রক্রিয়া ও গোপনীয়তার নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ কিংবা পুলিশ প্রশাসনের তদন্তের অংশ ছাড়া কেবল ব্যক্তিগত সন্দেহের বশে কেউ ডিএনএ ল্যাবরেটরিতে গিয়ে পরীক্ষা করাতে পারেন না। শিশু অধিকার ও পারিবারিক গোপনীয়তার বিষয়টি এখানে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়। ফলে কোনো দম্পতি চাইলেও চটজলদি কোনো শিশুর ওপর ডিএনএ টেস্টের আইনি বৈধতা পাওয়া সহজ বিষয় নয়।

বর্তমানে আলোচিত এই ঘটনার জেরে শিশুটির পরিচয় নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। সাধারণ মানুষ ও নেটিজেনদের একাংশ প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জন্য এই পরীক্ষার দাবি তুললেও আইনি জটিলতার কারণে তা এত সহজে সম্পন্ন হওয়া সম্ভব নয়। শেষ পর্যন্ত এই পারিবারিক ও সামাজিক বিতর্কের অবসান কীভাবে হবে, সেদিকেই এখন নজর সবার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com