• মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সৌদির বিমানবন্দরে সীমিত কার্যক্রম, ভোগান্তিতে ৮ হাজারের বেশি যাত্রী ১০ এতিমের দায়িত্ব নিলেন মালয়েশিয়া প্রবাসী সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ গ্রামীণ ঋণে বাড়ছে কিস্তির চাপ বন্দরে ড্রেজিংয়ে অপচয় দায়ী চিহ্নিতের নির্দেশ প্রত্যেকের অধিকার-নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব দখলমুক্ত সড়ক থাকলে দ্রুত পৌঁছাত ফায়ার সার্ভিস: ডিএসসিসি প্রশাসক কারা মহাপরিদর্শক পদে যোগ দিলেন আনোয়ারুল কবীর দুই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, সাবেক সেনাদের প্ল্যাটফর্ম; দেবাশীষ-গুলশান আরাকে গ্রেপ্তারের নেপথ্যে কী জাতি গঠনে তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার

শত্রু ড্রোন শিকারে তুরস্কের নতুন প্রযুক্তি ‘গোকাল্প’ উন্মোচন

Reporter Name / ১২ Time View
Update : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আধুনিক যুদ্ধের কৌশল ও আকাশসীমার নিরাপত্তা জোরদার করতে নতুন এক ড্রোন প্রতিরোধী ব্যবস্থা উন্মোচন করেছে তুরস্ক। দেশটির শীর্ষস্থানীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আসেলসান উদ্ভাবন করেছে এই অত্যাধুনিক ব্যবস্থাটি, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘গোকাল্প’। রাডার এবং উন্নত তড়িৎ-অপটিক্যাল প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটি শত্রু পক্ষের ড্রোন মুহূর্তের মধ্যে শনাক্ত করে তা আকাশে ধ্বংস করতে সক্ষম। মূলত ক্রমবর্ধমান ড্রোন হুমকির মুখে দেশের আকাশসীমা সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ প্রযুক্তিটি তৈরি করা হয়েছে।

তুরস্কের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসেলসানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই ব্যবস্থাটি যেকোনো যানবাহনে যুক্ত করে খুব সহজেই ব্যবহার করা যায়। নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত গোকাল্প অত্যন্ত সাশ্রয়ী এবং সম্পূর্ণ চলনক্ষম একটি ড্রোন প্রতিরোধব্যবস্থা। সাম্প্রতিক সময়ে আসেলসানের ওগলবেই প্রযুক্তি ঘাঁটিতে এই নতুন প্রযুক্তির কার্যকারিতা প্রদর্শন করা হয়। সেখানে এর নিখুঁত কার্যক্ষমতা উপস্থিত সবার নজর কাড়ে এবং প্রযুক্তিটি যে মাঠপর্যায়ে অত্যন্ত কার্যকরী তা প্রমাণিত হয়।

প্রদর্শনী চলাকালীন সময়ে আউরা রাডারের সাহায্যে প্রথমে আকাশে একটি লক্ষ্যবস্তু বা শত্রু ড্রোন শনাক্ত করা হয়। এরপর ড্রোনডেফ ব্যবস্থার আধুনিক নিয়ন্ত্রণ সফটওয়্যারের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয় গোকাল্প ই১ নামের প্রতিরোধী ড্রোনের কাছে। এই নির্দেশ পাওয়ার পরপরই গোকাল্প ই১ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ছুটে যায় এবং সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। এর ফলে কোনো ধরনের বিস্ফোরক ছাড়াই আকাশেই শত্রু ড্রোনটি টুকরো টুকরো হয়ে নিচে ভেঙে পড়ে।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের ভাষায় এই পদ্ধতিকে ‘হিট-টু-কিল’ বলা হয়ে থাকে। এই কৌশলে দূরপাল্লার বা প্রচলিত অস্ত্রের মতো কোনো বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয় না, বরং সরাসরি সংঘর্ষের মাধ্যমেই কেবল লক্ষ্যবস্তুকে সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় করা হয়। আসেলসানের মতে, এই সফল পরীক্ষাটি প্রমাণ করে যে গোকাল্প ব্যবস্থার প্রতিটি উপাদান অত্যন্ত নিখুঁতভাবে একসঙ্গে কাজ করতে পারে। বাস্তব যুদ্ধপরিস্থিতিতে শত্রুর ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত করার ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তিটি তুরস্কের সামরিক শক্তিকে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com