• সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
‘স্বৈরাচার’ ও ‘গুপ্তরা’ এক হতে পারে, এমপিদের সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু’ বলতে কী বোঝায়, কী ঘটছে এখন রূপপুরের চুল্লিতে দেশের বৈদেশিক ঋণ ১১৫ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, আবেদন নভেম্বর মাসজুড়ে ত্রিশালে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করার পরিকল্পনা হচ্ছে: বিমানমন্ত্রী ইতালির সেস্ত্রি লেভান্তেতে ফাহামিদুল অপতথ্য রোধে পেশাদার সাংবাদিকদের সক্রিয় ভূমিকার প্রত্যাশা রাষ্ট্রপতির দিল্লিতে বিমসটেকের প্রথম বৈঠক, যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আড়াইহাজারে ৪ বছর ধরে অনুপস্থিত চিকিৎসক, অধিদপ্তরে চিঠি দিয়েও ফল মেলেনি ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পর্যালোচনায় কমিটি হবে: শিক্ষামন্ত্রী

রাজধানী ঢাকায় ৩২ বাস রুটে ফ্র্যাঞ্চাইজি, ৭ কার্যদিবসের মধ্যে শুরু

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের নৈশচার্য দূর করতে এবং যাত্রীদের যাতায়াত নিরাপদ করতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগরের বাস রুটগুলোকে পুনর্বিন্যাস করে মাত্র ৩২টি নির্দিষ্ট রুটে ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিতে বাস পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকটি রুটে এই আধুনিক ব্যবস্থা চালু করা হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো রাজধানী এই কাঠামোর আওতায় আনা হবে। রাজধানীতে বর্তমানে চলাচলকারী ৪১৮টি অনুমোদিত রুটের মধ্যে মাত্র ৯৮টি সচল রয়েছে, যেগুলোতে অসংখ্য কোম্পানি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন বাস চলাচল করায় চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণ করা হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ছোট রুটের আধিক্য এবং রুটগুলোর ওভারল্যাপিংয়ের কারণে চালকদের মধ্যে যাত্রী তোলার অসুস্থ প্রতিযোগিতা লেগেই থাকে, যা মারাত্মক যানজট ও দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য বিদ্যমান রুটগুলোকে সমন্বয় করে মাত্র ৩২টি প্রধান রুটে রূপান্তর করার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। নতুন এই নিয়মের আওতায় প্রতিটি নির্দিষ্ট রুটে কেবল একটি কোম্পানির অধীনে বাস পরিচালিত হবে এবং যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা বন্ধ করতে সুনির্দিষ্ট বাস স্টপেজ নির্মাণ করা হবে।

পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাস চালকদের আচরণ, গাড়ির ফিটনেস এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলার সম্পূর্ণ দায়দায়িত্ব এখন থেকে সংশ্লিষ্ট বাস কোম্পানিকেই নিতে হবে। এছাড়া যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে কাউন্টারভিত্তিক টিকিটের পাশাপাশি ই-টিকিটিং পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে এবং প্রতিটি বাসে জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম সংযোজন করা হবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সহজেই বাসের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতে পারবে এবং অনিয়ম রোধ করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে জীর্ণশীর্ণ ও ফিটনেসবিহীন বাসগুলোর মানোন্নয়নের জন্য মালিকপক্ষকে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে গাড়িগুলোর প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে।

সভায় দীর্ঘদিন ধরে ডাম্পিং স্টেশনে পড়ে থাকা জব্দকৃত প্রায় ৩৬ হাজার যানবাহন নিয়ে আলোচনা হয়, যা স্থান সংকটের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় ঘটাচ্ছে। এসব যান দ্রুত নিলাম বা অন্য কোনো আইনি প্রক্রিয়ায় অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন নিশ্চিত করতে বিআরটিসির উদ্যোগে ঢাকার বেশ কিছু রুটে বৈদ্যুতিক বাস চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে একটি কার্যকর কর্মপরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com