• শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ভয়, লজ্জা ও কুসংস্কার দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর এআই কি দাজ্জাল? প্রযুক্তির নতুন জোয়ারে পুরোনো আতঙ্ক ১৮ দিনেও কাটেনি চুয়েটের অচলাবস্থা, অনিশ্চয়তায় শিক্ষার্থীরা এক বাবার ৬ সন্তান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, ছায়েদ উল্লাহর স্বপ্নপূরণের গল্প আলেমদের অন্যের ‘গেমের ঘুঁটি’ না হয়ে ‘নিজস্ব গেমের প্লেয়ার’ হতে বললেন হাসনাত আবদুল্লাহ প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করবে: অধিকার ভারতে রপ্তানি বাধা ও অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহার চায় বাংলাদেশ বোরহানউদ্দিনে সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, নীতিমালার ব্যত্যয়ের অভিযোগ কায়রোতে সম্মাননা পেলেন আমার দেশ সহসম্পাদক আলী হাসান তৈয়বসহ ৬ ইসলামী ব্যক্তিত্ব মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

পদত্যাগকারী এমপি কি বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন, প্রশ্ন মারদিয়া মমতাজের

Reporter Name / ১৩ Time View
Update : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দায়মুক্তি এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ। তিনি সম্প্রতি রাজধানীর একটি জাতীয় সেমিনারে বক্তব্য দেওয়ার সময় বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সংবাদমাধ্যমের কার্যকারিতা নিয়ে বেশ কিছু গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপন করেন। তার মতে, সমাজে ঘটে চলা নানা বড় ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে অন্য বিষয়গুলোকে সামনে নিয়ে আসা হচ্ছে, যেখানে গণমাধ্যম অনেক সময় শাক দিয়ে মাছ ঢাকার বড় হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

সেমিনারে সুনির্দিষ্টভাবে এক সংসদ সদস্যের পদত্যাগের বিষয়টি টেনে এনে মারদিয়া মমতাজ জানতে চান যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আদৌ কোনো আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হয়েছেন কি না। তিনি বলেন, অতীতে সরকারের নির্দেশে একজন বিতর্কিত সংসদ সদস্যকে পদত্যাগ করতে বলা হলে সংবাদমাধ্যমগুলোতে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক প্রশংসামূলক প্রচার চালানো হয় এবং এটিকে বিরাট সাফল্য হিসেবে দেখানো হয়। কিন্তু সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে যে, ওই ঘটনাটি কেবল রাজনৈতিক পদক্ষেপে সীমাবদ্ধ না রেখে কোনো ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না।

এই রাজনীতিক আরও অভিযোগ করেন যে, ক্ষমতাসীনদের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার পর গণমাধ্যমগুলো সাধারণত তার আর কোনো কার্যকর ফলোআপ বা অনুসন্ধান চালায় না। পদত্যাগকারী সেই প্রভাবশালী ব্যক্তি বর্তমান সময়ে কীভাবে আছেন কিংবা তিনি বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় এসেছেন কি না, তা নিয়ে মূলধারার মিডিয়াগুলো কোনো প্রশ্ন তুলছে না। ফলে একটি বিশেষ ঘটনাকে সামনে এনে অন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুতর ঘটনা আড়াল করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও এর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন এই সংসদ সদস্য। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, সংবাদমাধ্যমের যেমন স্বাধীনভাবে কাজ করার পূর্ণ অধিকার থাকা উচিত, তেমনই তাদের কঠোর জবাবদিহিতার কাঠামোর ভেতরেও আসা প্রয়োজন। অন্যথায় গণমাধ্যমগুলো রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে স্বাধীন ভূমিকা পালন না করে কেবল নির্দিষ্ট কোনো সরকার বা মহলের মুখপত্রে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করবে বলে তিনি সতর্ক করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com