• শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ফেস অব বাংলাদেশ ২০২৬: বিজয়ীর মুকুট পরলেন অদিত সারজিল কোরেশি ও আফসানা সুলতানা ৬ কোটি ৭৩ লাখ ঘণ্টা ভিউ! ঝড় তুলেছে যে জাপানি সিরিজ চট্টগ্রামে ‘কিশোর গ্যাং’ নেতাকে জুলাই যোদ্ধা দাবি মেয়রের, অভিযানের পর ওসি বদলি বিশ্ব ডাক দিবস আজ: বাড়িতে পণ্য পৌঁছে ঘুরে দাঁড়াতে চায় ডাক বিভাগ পাকিস্তান সরে যাওয়ায় এশিয়ার বনেদি মঞ্চে বাংলাদেশ উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে ব্রিটেন, সব জায়গায় পিছু হটছে যুক্তরাষ্ট্র লিথুয়ানিয়ার চাওয়া বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, এফবিসিসিআই চায় ভিসা সহজ হোক পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, পাঠাও বলেছে, কিছু ব্যক্তিগত তথ্য দুর্বৃত্তদের হাতে গেছে চরফ্যাশনে ৩৫ হাজার ৬৫৬ জেলের জন্য ৮৯১ টন চাল বরাদ্দ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী করা হয়েছে গিয়াস উদ্দিনকে

বিশ্ব ডাক দিবস আজ: বাড়িতে পণ্য পৌঁছে ঘুরে দাঁড়াতে চায় ডাক বিভাগ

Reporter Name / ৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারের ফলে ব্যক্তিগত চিঠি আদান-প্রদানের প্রচলন প্রায় ফুরিয়ে এসেছে। ফলে ঐতিহ্যবাহী এই সেবা খাতটি সংকুচিত হয়ে পড়ায় অস্তিত্ব রক্ষা ও ঘুরে দাঁড়ানোর নতুন পথ খুঁজছে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ। চিঠি পরিবহনের পরিবর্তে এখন পার্সেল ও পণ্য আনা-নেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এর অংশ হিসেবে দ্রুতগতির পার্সেল সেবা স্পিড পোস্টকে জনপ্রিয় করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ডাক বিভাগের আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দেশের আনাচ-কানাচে ছড়িয়ে থাকা সুবিশাল নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে দুর্গম অঞ্চলেও সহজে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে এই ঐতিহ্যবাহী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের।

স্পিড পোস্ট সেবার আওতায় দেশের যেকোনো প্রান্তের পোস্ট অফিস থেকে নথি, পার্সেল ও বিভিন্ন ধরনের পণ্য বুকিং করা যায়। এই সেবায় গ্রাহকদের জন্য ডিজিটাল ট্র্যাকিং ও ট্রেসিংয়ের সুবিধা রাখা হয়েছে, যার মাধ্যমে পার্সেলের বর্তমান অবস্থা সহজেই যাচাই করা সম্ভব হয়। বর্তমানে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এই সেবা চালু থাকলেও এর পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের। পর্যায়ক্রমে দেশের সব সাব-পোস্ট অফিস, নির্দিষ্ট বুকিং কাউন্টার এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিসের মাধ্যমে পার্সেল বুকিংয়ের সুযোগ চালুর প্রক্রিয়া চলছে। সম্প্রতি এই সেবার মাধ্যমে পণ্য পরিবহনের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ডাক বিভাগের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার করেছে।

ডাক বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেবাটি আরও সহজ করতে হোম ডেলিভারি ও ক্যাশ অন ডেলিভারি পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গ্রাহকদের আর কষ্ট করে পোস্ট অফিসে আসতে হবে না, বরং খুব শীঘ্রই অনলাইন বুকিংয়ের মাধ্যমে ডাক কর্মীরা বাড়ি থেকে পার্সেল সংগ্রহ করে নিয়ে আসবেন। বর্তমানে জেলা শহর থেকে ঢাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে, আন্তঃজেলায় ৪৮ ঘণ্টায় এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে পার্সেল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। তবে এই সেবাকে আরও জনবান্ধব করতে গ্রাহক যোগাযোগ ও অন্যান্য কিছু ক্ষেত্রে কিছুটা উন্নতির অবকাশ রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও ডাক বিভাগের পার্সেল পরিবহন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু মৌসুমে বিপুল পরিমাণ কৃষিপণ্য ও ফলমূল সাফল্যের সঙ্গে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর লজিস্টিকস সেবা গড়ে তুলতে ই-কমার্স খাতের সঙ্গে সমন্বয় এবং ফুলফিলমেন্ট সেন্টার চালুর পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট ওজনসীমার মধ্যে সাশ্রয়ী খরচে এই সেবাটি পরিচালিত হওয়ায় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা এর সুফল পেতে শুরু করেছেন। বিশ্ব ডাক দিবসের এবারের প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ডাক বিভাগ তাদের সেবা আরও সম্প্রসারণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com