• বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সাবুদানার লাড্ডু বানিয়েছেন কখনো? রেসিপি দেখুন বিদেশফেরত অভিবাসীদের পুনর্বাসনে সরকার-জাতিসংঘের ৩০ মাসের কর্মসূচি কায়রোতে অনুষ্ঠিত হলো আওসবি কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা আবাসন ব্যবসায়ীদের গ্রাহক হয়রানি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা সংসদীয় কমিটির ভাষার চেনা ছক ভেঙেছেন অ্যান কার্সন লংমার্চ কেবল কর্মসূচি নয়, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক হুংকার: মিয়া গোলাম পরওয়ার ১৫ বছর নিউমুরিং টার্মিনাল পরিচালনা করবে দুবাইয়ের ডিপি ওয়ার্ল্ড, চুক্তি সই কোরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার: রাষ্ট্রপতি আপত্তি ও বিক্ষোভের মুখেই দুবাইয়ের কোম্পানির হাতে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন পেল রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট

কর্মস্থলে অনুপস্থিত উপসচিব চাকরি থেকে বরখাস্ত

Reporter Name / ১০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: অনুমতি না নিয়ে দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান করা এবং কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক উপসচিবকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগে কর্মরত উপসচিব হাবিবা শারমিনের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, যেখানে তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি বিধি ভঙ্গের গুরুতর অভিযোগ আনা হয়। সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা বিধিমালা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে এই বরখাস্তের আদেশ কার্যকর করা হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে ২০২১ সালের শেষভাগে, যখন হাবিবা শারমিন উন্নত চিকিৎসার কথা বলে এক বছরের বিনা বেতনে ছুটির আবেদন করেন। কিন্তু সেই আবেদন যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলেও তা শেষ পর্যন্ত মঞ্জুর হয়নি। তবে ছুটি মঞ্জুর হওয়ার আগেই তিনি কর্মস্থল ত্যাগ করেন এবং পরবর্তীতে আর অফিসে ফেরেননি। এমনকি পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ থেকে ২০২৩ সালের মে মাসে তাঁকে চাকরিতে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি তা অমান্য করেন।

কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান এবং সেখান থেকে ই-মেইলের মাধ্যমে পুনরায় ছুটির আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় তাঁর বিরুদ্ধে বিনা অনুমতিতে দেশত্যাগ এবং পলায়নের মতো গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা শুরু করে। পরবর্তীতে তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি নির্ধারিত সময়ে কোনো লিখিত জবাব দেননি। এরপর সরকারের পক্ষ থেকে একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়, যিনি দীর্ঘ তদন্ত শেষে তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পান।

তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে সরকারি চাকরি থেকে গুরুদণ্ড হিসেবে বরখাস্ত করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে তাঁর স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানাসহ ই-মেইলে দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়। এর জবাবে তিনি অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে চাকরিতে ফেরা সম্ভব নয় জানিয়ে পদত্যাগ বা অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। কিন্তু তাঁর সেই আবেদন নাকচ করে দিয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্তই বহাল রাখা হয় এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনও এই গুরুদণ্ডের সঙ্গে একমত পোষণ করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com