• বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
কেইনের রেকর্ড গড়া রাতে ইংল্যান্ডের অনায়াস জয় ‘এক মিনিটে দুই ট্রেন গায়েব’ টিকিট না পেয়ে ফেসবুকে আশফাক নিপুনের ক্ষোভ গণরুম-গেস্টরুম নিপীড়নবিরোধী স্মৃতিস্তম্ভ ‘আর্তনাদ’ উদ্বোধন ডাকসুর শিশু–কিশোরদের স্থূলতায় ওষুধ নয়, জীবনযাপন পরিবর্তনে জোর দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সারা দেশে আনসার-ভিডিপির আগাম প্রস্তুতি রিকশা পেইন্টিংকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে ইউনেস্কো ও উইন্ডমিল অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেডের সমঝোতা চুক্তি এলপিজি বিক্রিতে কারসাজি প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন শাবিপ্রবির ১৮ শিক্ষার্থী ‘সমকামী সাজিয়ে’ বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদন, যুক্তরাজ্যে গ্রেপ্তার ৩ ফ্রান্সের পর শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল বেলজিয়াম, আটক ১০৭

রিকশা পেইন্টিংকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে ইউনেস্কো ও উইন্ডমিল অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেডের সমঝোতা চুক্তি

Reporter Name / ৮ Time View
Update : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী রিকশা পেইন্টিং শিল্পকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও মর্যাদাপূর্ণ স্থানে নিয়ে যেতে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই শিল্পধারাকে বিশ্বমঞ্চে অনন্যভাবে তুলে ধরার লক্ষ্যে সম্প্রতি রাজধানীর ইউনেস্কো কার্যালয়ে একটি বিশেষ সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে এই অংশীদারত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এর মাধ্যমে দেশের এই প্রাচীন লোকশিল্পকে টিকিয়ে রাখা এবং এর বহুমুখী প্রসারের পথ আরও সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে ইউনেস্কোর পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন সংস্থাটির বাংলাদেশ কার্যালয়ের প্রধান ও প্রতিনিধি সুজান ভাইজ। অন্যদিকে উইন্ডমিল অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেডের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কৌশলগত পরিকল্পনাবিদ সুমন পাটওয়ারী এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এছাড়া উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন। এই অংশীদারত্বের মূল ভিত্তি হলো রিকশাচিত্রের সঙ্গে জড়িত শিল্পীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং তাদের নিপুণ দক্ষতার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইউনেস্কো প্রতিনিধি সুজান ভাইজ বলেন যে রিকশাচিত্র একটি জীবন্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, যা শিল্পীদের মেধা ও সৃজনশীলতার ওপর নির্ভর করে বেঁচে আছে। এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে মূল শিল্পীদের সুরক্ষা ও সহায়তা দেওয়া সবচেয়ে জরুরি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে শিল্পীদের জীবিকা নির্বাহ সহজ হবে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে এই ঐতিহ্যগত জ্ঞান সফলভাবে স্থানান্তরিত করা সম্ভব হবে।

উইন্ডমিল অ্যাডভার্টাইজিংয়ের প্রতিনিধি সুমন পাটওয়ারী জানান যে তাদের লক্ষ্য হলো রিকশাচিত্রের সমৃদ্ধ ইতিহাস সংরক্ষণের পাশাপাশি এর সঙ্গে যুক্ত শিল্পীদের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করা। সৃজনশীল যোগাযোগ এবং নতুন বাজারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে এই শিল্পধারাকে বৃহত্তর পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে ঢাকার রিকশা ও রিকশা পেইন্টিং ইউনেস্কোর মানবতার অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান লাভ করে, যা এই শিল্পকে বৈশ্বিক স্বীকৃতি এনে দেয়।

এই অংশীদারত্বের আওতায় ‘রিকশা পেইন্টিং: এক্সপ্যান্ডিং দ্য ক্যানভাস’ শীর্ষক একটি দীর্ঘমেয়াদী সমন্বিত প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের সুনির্দিষ্ট কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে শিল্পীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিচালনা এবং বড় ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে তাদের কাজের সুযোগ তৈরি করা। প্রদর্শনী ও ডিজিটাল প্রচারণার মাধ্যমে রিকশাচিত্রের নান্দনিকতা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা হবে, যা এই ঐতিহ্যিক শিল্পকে যুগোপযোগী করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com