• বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সুপ্রিম কোর্টে রাতে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ ভঙ্গুর অর্থনীতি সামলাতে দেশীয় কৌশলেই এগোচ্ছে সরকার বাংলাদেশপন্থা: একটি নতুন রাষ্ট্রদর্শন জন–আস্থা অর্জনই এখন পুলিশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দেশ কি আরেক এক-এগারোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে পীরগাছায় বিএনপি সভাপতির সারের ডিলারের তালিকা ফাঁস পত্রিকা: ‘প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে নিরাপত্তাসহ একগুচ্ছ বার্তা নিয়ে দিল্লিতে ত্রিবেদী’ চাকরির শুরুতে ৩০ হাজার টাকার বেশি বেতন, আবেদন করা যাবে যেসব চাকরিতে ৪ বছরে দরিদ্র মানুষ বেড়েছে ৮০ লাখ, ঝুঁকিতে সোয়া ৬ কোটি মানুষ প্রথমবার নিরপেক্ষ ভেন্যুতে টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ, সবচেয়ে বেশি খেলেছে কারা

ভঙ্গুর অর্থনীতি সামলাতে দেশীয় কৌশলেই এগোচ্ছে সরকার

Reporter Name / ৬ Time View
Update : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: অতীত থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থা পুনরুদ্ধারে নিজস্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সংস্কার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। ব্যাংকিং ও রাজস্ব খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো নিজেরাই চিহ্নিত করে স্থানীয় পরিস্থিতির সঙ্গে মানানসই বিভিন্ন কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থার শর্তের ওপর নির্ভর না করে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও নির্বাচনি ইশতেহারের ভিত্তিতে এই অভ্যন্তরীণ সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তবে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) মতো সংস্থার সহযোগিতা চাওয়া হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বার্ষিক সম্মেলনে বাংলাদেশের এই সুনির্দিষ্ট অবস্থান জোরালোভাবে তুলে ধরা হবে। এই সম্মেলনে যোগ দিতে দেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল অংশ নিচ্ছে, যার মধ্যে সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরসহ সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকেরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। সম্মেলনে দেশের সংস্কার কার্যক্রম কোনো বহিরাগত চাপ নয়, বরং জনগণের ম্যান্ডেটের অংশ—এই বার্তাটি আন্তর্জাতিক মহলে স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করা হবে। এছাড়া সংস্কারের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং বিশ্বব্যাংকের কাঠামোর সঙ্গে সরকারের রূপরেখার সমন্বয় সাধনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।

অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় কেবল বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভর না করে অর্থায়নের বহুমুখী উৎস খোঁজার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কনসেশনাল বা সহজ শর্তের ঋণের পাশাপাশি স্থানীয় বন্ড, সুকুক বন্ড এবং প্রবাসীদের ওয়েজ আর্নার স্কিমসহ বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ খাতকে কাজে লাগিয়ে তহবিল গঠন করা হবে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সময় বেসরকারি খাতের বিনিয়োগে স্থবিরতা, জিডিপির তুলনায় অত্যন্ত কম রাজস্ব আয় এবং ব্যাংকগুলোতে তীব্র তারল্য সংকটের মতো গুরুতর চ্যালেঞ্জগুলো সামনে এসেছিল। এসব সমস্যা সমাধানে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে এখন অর্থনৈতিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং গ্রাহকদের আস্থা পুনর্গঠন সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অতীতে বিভিন্ন ব্যাংকে তারল্য সংকট এবং প্রকৃত খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেশি থাকলেও বর্তমানে তা উত্তরণে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে আমানতকারীদের অর্থ উত্তোলনের নিশ্চয়তা দেওয়ায় ব্যাংকিং খাতে ধীরে ধীরে আস্থার পরিবেশ ফিরে আসছে। পাশাপাশি, বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলো পুনরায় উৎপাদনে ফেরাতে বিশেষ প্রণোদনামূলক পুনঃঅর্থায়ন স্কিম চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com