• মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ

আট মাস পর উৎপাদনে ফিরল যমুনা সার কারখানা

Reporter Name / ১০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট: দীর্ঘ আট মাস বন্ধ থাকার পর অবশেষে উৎপাদনে ফিরেছে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত যমুনা সার কারখানা। তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে গত আট মাস ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ শিল্পপ্রতিষ্ঠানটির যাবতীয় কার্যক্রম পুরোপুরি স্থগিত ছিল। সম্প্রতি তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ কারখানাটিতে পুনরায় গ্যাস সংযোগ প্রদান করলে কর্তৃপক্ষ উৎপাদনের প্রস্তুতি শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার ভোরে কারখানাটিতে ইউরিয়া সার উৎপাদন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়, যা স্থানীয় কৃষি খাতের জন্য একটি স্বস্তিদায়ক খবর।

কারখানার উৎপাদন শাখার বিভাগীয় প্রধান ফজলুল হক রতন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান যে গ্যাস সরবরাহের ঘাটতির কারণেই মূলত দীর্ঘদিন উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছিল। গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ লাইন চালুর পর প্রকৌশলী ও কারিগরি দল কারখানা সচল করার প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু করে। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে মঙ্গলবার ভোরে কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন শুরু করতে সক্ষম হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কারখানার প্রশাসনিক মহাব্যবস্থাপক দেলোয়ার হোসেন বিস্তারিত জানিয়ে বলেন যে প্লান্টটি নিরবচ্ছিন্নভাবে সচল রাখতে দৈনিক ৪২ পিএসআই গ্যাস চাপের প্রয়োজন হয়। অতীতে গ্যাসের চাপ কমে ২৬ থেকে ২৭ পিএসআইয়ে নেমে যাওয়ায় উৎপাদন টিকিয়ে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। তবে সম্প্রতি গ্যাসের চাপ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ৩৮ থেকে ৩৯ পিএসআইয়ে পৌঁছানোর পর অ্যামোনিয়া ও ইউরিয়া উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালের পহেলা জুলাই বাণিজ্যিকভাবে দানাদার ইউরিয়া উৎপাদনে যাত্রা শুরু করেছিল বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প সংস্থার (বিসিআইসি) অধীনস্থ এই প্রতিষ্ঠানটি। কারখানাটির মূল নকশা অনুযায়ী দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদনের ক্ষমতা রয়েছে। তবে প্লান্টটি বেশ পুরনো হওয়ায় বর্তমান পরিস্থিতিতে শতভাগ উৎপাদন অর্জন সম্ভব না হলেও কর্তৃপক্ষ প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৩৫০ মেট্রিক টন সার উৎপাদনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com