• বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
কেসি কলেজে ছাত্রদল-শিবিরের উত্তেজনা, শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ কেইনের রেকর্ড গড়া রাতে ইংল্যান্ডের অনায়াস জয় ‘এক মিনিটে দুই ট্রেন গায়েব’ টিকিট না পেয়ে ফেসবুকে আশফাক নিপুনের ক্ষোভ গণরুম-গেস্টরুম নিপীড়নবিরোধী স্মৃতিস্তম্ভ ‘আর্তনাদ’ উদ্বোধন ডাকসুর শিশু–কিশোরদের স্থূলতায় ওষুধ নয়, জীবনযাপন পরিবর্তনে জোর দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সারা দেশে আনসার-ভিডিপির আগাম প্রস্তুতি রিকশা পেইন্টিংকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে ইউনেস্কো ও উইন্ডমিল অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেডের সমঝোতা চুক্তি এলপিজি বিক্রিতে কারসাজি প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন শাবিপ্রবির ১৮ শিক্ষার্থী ‘সমকামী সাজিয়ে’ বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদন, যুক্তরাজ্যে গ্রেপ্তার ৩

খাদ্য নিরাপত্তায় ৩০ কোটি ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

দেশের সার্বিক খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং কৃষকদের সার সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ সরকার। সম্প্রতি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) মধ্যে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি প্রজেক্ট’ বা জরুরি খাদ্য নিরাপত্তা সহায়তা প্রকল্পের আওতায় এই অর্থায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে, যার মোট পরিমাণ প্রায় ৩০ কোটি মার্কিন ডলার বা ২১ কোটি ৯২ লাখ এসডিআর। সরকারের পক্ষ থেকে ইআরডি সচিব মো এবং বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর এই চুক্তিতে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব করেন।

প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো প্রধান খাদ্যশস্য বোরো ধান রোপণ মৌসুমে দেশের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য প্রয়োজনীয় সারের সরবরাহ নিশ্চিত করা। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি কমবে এবং সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তা বহুগুণ সুসংহত হবে। আগামী ২০২৬ সালের জুলাই মাস থেকে শুরু হয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত এক বছর মেয়াদে এই প্রকল্পটি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত হবে। অর্থ বিভাগের সরাসরি তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন যৌথভাবে এই কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

চুক্তির আর্থিক শর্ত অনুযায়ী, উত্তোলিত ঋণের অর্থের ওপর বার্ষিক দেড় শতাংশ হারে সুদ প্রযোজ্য হবে। এছাড়া অনুত্তোলিত অর্থের ওপর সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ হারে প্রতিশ্রুতি ফি ধার্য থাকলেও, বিগত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও তা মওকুফ রেখেছে বিশ্বব্যাংক। দীর্ঘমেয়াদি এই ঋণ পরিশোধের জন্য পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ মোট পঁচিশ বছর সময় পাবে বাংলাদেশ। এর ফলে দেশের ওপর তাৎক্ষণিক আর্থিক চাপ কম পড়বে এবং কৃষি খাতে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও ভর্তুকি কার্যক্রম আরও গতিশীল করা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য যে, বিশ্বব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বহুপক্ষীয় উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে কাজ করে আসছে। দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জ্বালানি খাত, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং সামাজিক খাতের বিভিন্ন প্রকল্পে সংস্থাটি নিয়মিত আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে থাকে। নতুন এই ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যকার দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট নীতির্ধারকরা। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে এই ধরনের সহায়তা দেশের কৃষি উৎপাদন বজায় রাখতে এবং অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com