• শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
মাদক মামলার আসামিকে ছাড়াতে এসপি অফিস ঘেরাও, আটক ২০ সাদিকুলের শালিক কথা বলতে শিখল কী করে শুটিংয়ে নেকড়ের আক্রমণ! মাইনাস ৪০ ডিগ্রিতে নায়িকার সঙ্গে কী ঘটেছিল এক দিনেই ৬১ বিলিয়ন ডলার সম্পদ বাড়ল ইলন মাস্কের গাজীপুরে গার্মেন্টসে আগুন: সাড়ে ৩ ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে, উদ্ধার ৬৯ জন কমছে মানুষের চিন্তার ক্ষমতা, চ্যাটজিপিটি ব্যবহারে নতুন সতর্কতা সকালে খেলতে বেরিয়ে নিখোঁজ শিশু, দুপুরে মিলল বস্তাবন্দী গলাকাটা লাশ কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন ঘেরাওয়ের চেষ্টা, উত্তেজনা ময়মনসিংহে ৭ জন নিহতের ঘটনায় বাসচালককে আসামি করে মামলা ১৩.৮ বিলিয়ন বছর বয়সী মহাবিশ্ব কীভাবে ৯৩ বিলিয়ন আলোকবর্ষজুড়ে বিস্তৃত

ভবিষ্যতে যাওয়া সম্ভব হলে অতীতে ফেরা যাবে না কেন

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬

বিজ্ঞানের দীর্ঘদিনের গবেষণায় এটি প্রমাণিত যে সময়ের চাকা সবসময় এক দিকেই ঘোরে এবং এর গতিপ্রকৃতি পরিবর্তন করা বেশ জটিল একটি বিষয়। অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের বিখ্যাত আপেক্ষিকতার তত্ত্ব অনুযায়ী, কোনো বস্তু বা ব্যক্তি যদি আলোর গতির কাছাকাছি বেগে চলতে সক্ষম হয়, তবে তার জন্য সময়ের গতি বহুগুণে ধীর হয়ে যায়। এই বৈজ্ঞানিক নীতিকে কাজে লাগিয়েই মূলত সুদূর ভবিষ্যতে ভ্রমণ করা তাত্ত্বিকভাবে সম্ভব বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা। তবে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে অতীতে ফিরে যাওয়ার কোনো সুযোগ বা বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই বললেই চলে।

তত্ত্বগতভাবে আলোর গতির কাছাকাছি অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লাখ কিলোমিটার বেগে ছুটতে পারলে মহাকাশচারী নিজের ভবিষ্যৎ সময়ে পৌঁছে যেতে পারবেন। তার কারণ হলো, উচ্চ গতিশীল বস্তুর ক্ষেত্রে সময় অপেক্ষাকৃত ধীরে চলে, যাকে পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় টাইম ডাইলেশন বলা হয়ে থাকে। কিন্তু বর্তমান যুগে প্রযুক্তির যে অভাবনীয় উন্নতি ঘটেছে, তাতে এই কাঙ্ক্ষিত আলোর গতির কাছাকাছি পৌঁছানো মানুষের পক্ষে সম্পূর্ণ অসম্ভব। মানবসভ্যতার ইতিহাসে এ পর্যন্ত যত দ্রুতগতির মহাকাশযান তৈরি করা হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো নাসা কর্তৃক প্রেরিত পার্কার সোলার প্রোব।

বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, এই বিশেষ মহাকাশযানটির সর্বোচ্চ গতি আলোর গতির মাত্র শূন্য দশমিক শূন্য চৌষট্টি শতাংশ, যা আলোর গতির তুলনায় নিতান্তই নগণ্য। ফলে মানুষের তৈরি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই মুহূর্তে সময়ের পরিধি ভেঙে ভবিষ্যতে পাড়ি জমানো বা টাইম ট্রাভেল করা বাস্তবসম্মত নয়। তাছাড়া, সময়ের এই অগ্রগামী যাত্রা একমুখী হওয়ার কারণে অতীতে ফিরে যাওয়ার চিন্তাটি কেবল কল্পবিজ্ঞানের কাহিনীতেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে। পদার্থবিজ্ঞানের মূল সূত্রগুলো ভবিষ্যতে যাওয়ার পথ কিছুটা উন্মুক্ত রাখলেও, অতীতে ফেরার কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বা পথ আজও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

ভবিষ্যতে মহাকাশ গবেষণা এবং প্রযুক্তির আরও অভাবনীয় উন্নয়ন ঘটলে হয়তো সময়ের আপেক্ষিকতা সংক্রান্ত এই রহস্য আরও স্পষ্টভাবে উন্মোচিত হতে পারে। তবে বর্তমান বৈজ্ঞানিক কাঠামোর মধ্যে দাঁড়িয়ে অতীতে ভ্রমণের বিষয়টি সম্পূর্ণ অবাস্তব এবং অসম্ভব হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। বিজ্ঞানপ্রেমী ও গবেষকগণ সময়ের এই জটিল ধাঁধার উত্তর খুঁজতে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন তত্ত্ব নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন। দিনশেষে আইনস্টাইনের সূত্র ধরেই বিজ্ঞানীরা ভবিষ্যতের টাইম ট্রাভেলের সম্ভাবনা নিয়ে তাত্ত্বিক আলোচনা চালিয়ে গেলেও, অতীতের পাতায় ফিরে যাওয়ার বিষয়টি চিরকালই অধরা থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com