• শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
তথ্য অধিকার আইন বিষয়ে জানে মাত্র ১০.৫% মানুষ গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাকরি খোঁজার কাগজ দেওয়া হবে না: ড. মুহাম্মদ ইউনূস শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ১০ দিন ধরে অচল চুয়েট রোনালদো ছাড়লেন পর্তুগালের ক্যাম্প, পর্তুগালের ইনস্টাগ্রাম ছেড়ে গেলেন ৫ লাখ অনুসারী হাড় ভাঙা ঠেকাতে ক্যালসিয়াম-ভিটামিন ডির সুফল নেই—দাবি নতুন গবেষণায় আন্তর্জাতিক কফি দিবস: আপনিও কি ‘কফি হাউস’ গানের রমা, সুজাতা, মঈদুল, নিখিলেশ আর অমলের সঙ্গে নিজের মিল খুঁজছেন? বাবার মুখে পাউরুটি তুলে দেওয়া সেই শিশুকে স্কুলে ফেরালেন ইউএনও নিকনের প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়া ছবি ও ভিডিওতে এআই ব্যবহারের অভিযোগ আয়ারল্যান্ডে চালু হলো বাংলাদেশ দূতাবাসের কার্যক্রম মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুতায়িত ও দগ্ধ পাঁচ ছাত্রীর ৩ জনই মারা গেল

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ১০ দিন ধরে অচল চুয়েট

Reporter Name / ৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) সদ্য সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে চলমান আন্দোলনের জেরে দীর্ঘ ১০ দিন ধরে চরম অচলাবস্থা বিরাজ করছে। সম্প্রতি ক্যাম্পাসে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা পূর্ণাঙ্গ শাটডাউন কর্মসূচি পালন করেছেন। এর সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও নিয়মিতভাবে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির সকল ধরনের ক্লাস, পরীক্ষা এবং স্বাভাবিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে এই পরিস্থিতি চলতে থাকায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে এক ধরনের স্থবিরতা নেমে এসেছে।

উপাচার্য পদে পরিবর্তনের জেরে মূলত এই সংকটের সূত্রপাত হয়েছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর সরকারের পক্ষ থেকে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়ে অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় আগের উপাচার্যকে অপসারণের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি শিক্ষার্থীরা। দায়িত্ব পরিবর্তনের সেই রাতেই তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং পরদিন থেকে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের সঙ্গে শিক্ষক সমিতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও যুক্ত হন।

নানা অভিনব কর্মসূচির মাধ্যমে গত কয়েকদিন ধরে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন আন্দোলনকারীরা। বিক্ষোভ মিছিল, লাল কার্ড প্রদর্শন, মশাল মিছিল এবং প্রতীকী প্রশ্নযাত্রার মতো কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এর পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা পরিচয়পত্র প্রদর্শন এবং চোখে কালো কাপড় বেঁধে নিরব প্রতিবাদও করেছেন। অন্যদিকে, নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম নিয়োগ পাওয়ার পরও এখনো পর্যন্ত ক্যাম্পাসে এসে নিজ দপ্তরে বসতে পারেননি। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে অবস্থান করে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে বাধ্য হচ্ছেন। পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় তাঁকে বাইরে থেকে কাজ চালাতে হচ্ছে।

সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম জানিয়েছেন, পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণেই তাঁকে সার্কিট হাউসে থাকতে হচ্ছে। খুব দ্রুত পরিবেশ শান্ত হবে এবং তিনি ক্যাম্পাসে গিয়ে সকলের মতামতের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করতে পারবেন বলে আশাবাদী। তবে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা এই বক্তব্য পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁদের স্পষ্ট ঘোষণা, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে স্বপদে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত তাদের এই কঠোর শাটডাউন কর্মসূচি চলবে। শিক্ষক সমিতিও তাদের আন্দোলন ও অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com