• শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ময়মনসিংহে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ জনসহ ৭ জন নিহত ময়মনসিংহে বাস–সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ, নিহত ৭ সিজারিয়ানের পর পেটে গজ রেখে সেলাই, সংকটাপন্ন বীথি বাঁচতে চান সন্তানের জন্য ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১১৬৩ ভোলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে আটক ৭ জনের কারাদণ্ড, ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড নাচের কথা বলে এনে ‘নৃত্যশিল্পীকে’ দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ রাড্ডা–কাণ্ডে এমপি পদ ছাড়লেন মিস্টি, অন্যদের কী হবে? শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে ২ কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ আটক ২ পঞ্চমবারের মতো ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’ শুরু হচ্ছে কাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতকে চিঠি, অস্থিতিশীলতা কঠোরভাবে মোকাবিলার হুঁশিয়ারি সংস্কৃতিমন্ত্রীর

রাউজান অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার, সংঘর্ষে ১২ পুলিশ আহত

Reporter Name / ২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ দিলদার হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সম্প্রতি কদলপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়াপাড়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত দিলদার হোসেন এলাকায় সক্রিয় একটি সন্ত্রাসী চক্রের অন্যতম সহযোগী হিসেবে পরিচিত। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই অভিযান সফল করে।

অভিযান চলাকালে অপরাধী চক্রের সদস্যরা পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং পুলিশের ১২ জন সদস্য আহত হন। আহত পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে এসআই জান্নাতুন নাঈম রাজন, এসআই খোরশেদ আলম, এসআই বায়েজিদ মৃধা, এসআই জাহাঙ্গীর আলম, এএসআই জুয়েল চন্দ্র বিশ্বাস ও এএসআই রবিউল হোসেনসহ অনেকে রয়েছেন। প্রবল প্রতিরোধ ও সাহসিকতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে পুলিশ সদস্যরা হামলাকারীদের প্রতিহত করেন।

এই ঘটনার পর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়। পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, এলাকায় রায়হান বাহিনীর তৎপরতা কমে আসার পর ডাকাত আলম ও আজিজ বস গ্রুপ নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় লোকজনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি ও নানা ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিল। গত ২৫ সেপ্টেম্বর চক্রের সদস্যরা আবু বক্কর চৌধুরী নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে চাঁদা দাবি করলে পুলিশি নজরদারি বৃদ্ধি পায়।

অভিযানের সময় ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ১টি দোনলা বন্দুক, ১টি একনলা বন্দুক, ১১৯ রাউন্ড গুলি ও ৬ রাউন্ড সীসা কার্তুজ উদ্ধার করে। এ ছাড়াও ৪টি রামদা, ২টি বটি এবং অস্ত্র পরিষ্কার বা গুলি তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামও জব্দ করা হয়। পুলিশের গুলিতে আহত অবস্থায় দিলদার হোসেনকে আটক করা হলেও চক্রের অন্য পলাতক সদস্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক অপরাধীদের গ্রেফতারে এবং এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com