• শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
পুত্রবধূকে ‘চাকরি না দেওয়ায়’ বিদ্যালয়ে তালা দিলেন দাতা সদস্য, মাঠে লাগালেন কলাগাছ চিন্ময় দাসের মুক্তির দাবিতে কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের সামনে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা বাগেরহাটে দুই মোটরসাইকেল ও নসিমনের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ৩ নেপালের বন্যায় নিখোঁজের ৩৭ দিন পর মালয়েশিয়ান নাগরিক উদ্ধার মাদক মামলার আসামিকে ছাড়াতে এসপি অফিস ঘেরাও, আটক ২০ সাদিকুলের শালিক কথা বলতে শিখল কী করে শুটিংয়ে নেকড়ের আক্রমণ! মাইনাস ৪০ ডিগ্রিতে নায়িকার সঙ্গে কী ঘটেছিল এক দিনেই ৬১ বিলিয়ন ডলার সম্পদ বাড়ল ইলন মাস্কের গাজীপুরে গার্মেন্টসে আগুন: সাড়ে ৩ ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে, উদ্ধার ৬৯ জন কমছে মানুষের চিন্তার ক্ষমতা, চ্যাটজিপিটি ব্যবহারে নতুন সতর্কতা

মেট্রোরেলের ৪৬ হাজার কোটি টাকার কাজের প্রস্তাব অনুমোদন

Reporter Name / ৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬

রাজধানীতে যাতায়াত সহজ ও দ্রুততর করতে মেট্রোরেল প্রকল্পের প্রথম ও পঞ্চম লাইনের বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের বড় একটি পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। সম্প্রতি সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়নাধীন এই বিশাল কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে নগরবাসীর দীর্ঘমেতিক ট্রাফিক জ্যামের ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার এবং জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার যৌথ অর্থায়নে এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড।

অনুমোদিত প্রস্তাবগুলোর মধ্যে এমআরটি লাইন-১-এর বিভিন্ন প্যাকেজে ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ পথ, বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা এবং সংকেত স্থাপন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে সিপি-০৬ প্যাকেজের আওতায় বাড্ডা স্টেশন থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ৫ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ ভূগর্ভস্থ পথ ও তিনটি নতুন স্টেশন নির্মাণের জন্য প্রায় ১১ হাজার ৫৯০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এই কাজে জাপানি প্রতিষ্ঠান নিশিমাতসু, টিপিএল এবং টোডার যৌথ উদ্যোগকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া লাইন-১-এর ট্র্যাক নির্মাণ, বৈদ্যুতিক সুবিধা এবং সংকেত ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য আরও দুটি বড় প্যাকেজে ভারতীয় এবং দেশি-বিদেশি যৌথ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এদিকে লাইন-৫ উত্তর রুটের বিভিন্ন অবকাঠামো এবং ডিপো নির্মাণকাজেও হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই লাইনের সিপি-০৩ প্যাকেজের আওতায় হেমায়েতপুর থেকে আমিনবাজার এবং নতুনবাজার থেকে ভাটারা পর্যন্ত সাড়ে ছয় কিলোমিটার উড়ালপথ ও পাঁচটি উড়ালস্টেশন নির্মাণের জন্য প্রায় দুই হাজার ৬৭১ কোটি টাকা ব্যয় অনুমোদিত হয়েছে। এই উড়ালপথ নির্মাণের কাজটি পেয়েছে চীনের তিনটি প্রতিষ্ঠানের একটি যৌথ উদ্যোগ। পাশাপাশি লাইন-১-এর ডিপো নির্মাণ, ওয়ার্কশপ স্থাপন এবং রামপুরা থেকে নতুনবাজার পর্যন্ত প্রধান লাইন নির্মাণের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজের ক্রয়প্রস্তাবও এই বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ও বাস্তবায়ন সময়সীমা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সম্প্রতি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে বা একনেকে এই দুই প্রকল্পের সংশোধিত রূপ অনুমোদিত হয়েছে। নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই প্রকল্পের কাজ ২০১৯ সাল থেকে শুরু হয়ে ২০৩৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকবে। বর্তমান নকশা অনুযায়ী এমআরটি লাইন-৫ গাবতলী থেকে শুরু হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হয়ে দাসেরকান্দি পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। অন্যদিকে, এমআরটি লাইন-১ বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর এবং নতুনবাজার থেকে পূর্বাচল—এই দুটি ভিন্ন রুটে নগরবাসীর যাতায়াতের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে যাচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com