• বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
হাফপ্যান্ট পরে জনসম্মুখে বের হওয়া কি ইসলামে নিষিদ্ধ দুই দফা ইনজেকশনেও হলো না মৃত্যু, হাসপাতালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মার্কিন নারী মক্তবে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, ইউনিয়ন জামায়াত আমিরের বিরুদ্ধে মামলা নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল চালাবে বিদেশি অপারেটর, চুক্তি অনুমোদন রাউজান অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার, সংঘর্ষে ১২ পুলিশ আহত ১৯ সেকেন্ডেই সুপারকম্পিউটারের শতবছরের কাজ সম্পন্ন করেছে কোয়ান্টাম কম্পিউটার দেড় লাখ টাকা জরিমানা, নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো স্কুলে ছেলের সঙ্গে ঝগড়া, শ্রেণিকক্ষে ঢুকে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে অভিভাবকের আছাড় মির্জাপুরে দুর্গামন্দিরের ৭টি প্রতিমা ভাঙচুর নেপালে ঝুঁকিতে প্রায় ৭০০ ট্রেকার, হেলিকপ্টারে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে অনেককে

৩৪০০০ ফুট উঁচুতে এক পাইলট ছুরিকাঘাত করেন আরেক জনকে, বিমান ক্র্যাশ করার চেষ্টা

Reporter Name / ০ Time View
Update : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বাণিজ্যিক বিমানের ককপিটে সম্প্রতি এক নজিরবিহীন ও ভয়াবহ সহিংসতার ঘটনা ঘটে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রায় ১৮০ জন যাত্রী নিয়ে উড্ডয়ন করার কিছু সময় পর এই অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিমানটি যখন মাটি থেকে প্রায় ৩৪ হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থান করছিল, তখন এর ভেতরে থাকা দুই পাইলটের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। ওমানের নাগরিক ওই দুই পাইলটের মধ্যকার এই বিরোধ মুহূর্তের মধ্যে হাতাহাতিতে রূপ নেয়, যা আকাশে থাকা যাত্রীদের মাঝে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।

পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় যখন সংঘর্ষের একপর্যায়ে এক পাইলট অপরজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। ককপিটের ভেতর থেকে ভেসে আসা ধস্তাধস্তির আওয়াজ ও আর্তচিৎকার যাত্রীদের কানে পৌঁছালে এক সাহসী যাত্রী ককপিটের দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। তিনি সেখানে দেখতে পান যে এক পাইলট মেঝেতে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে আছেন এবং চারপাশ রক্তে ভেসে গেছে। প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, হামলাকারী পাইলট বিমানটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে ধ্বংস বা ক্র্যাশ করার চেষ্টা চালান এবং আত্মহত্যার হুমকিও দেন। অপর পাইলট ও যাত্রীদের সহযোগিতায় সেই মারাত্মক প্রচেষ্টা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন, যার ফলে বিমানটি মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে ৩৪ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে হঠাৎ ১৭ হাজার ফুট নিচে নেমে আসে।

ককপিটের অভ্যন্তরে এই চরম বিশৃঙ্খলার সময় বিমানটি থেকে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের কাছে প্রথমে জরুরি অবস্থার কোড এবং পরবর্তীতে বিমান ছিনতাইয়ের সংকেত পাঠানো হয়। এর ফলে সংশ্লিষ্ট মহলে বড় ধরনের হাইজ্যাকিংয়ের আশঙ্কা তৈরি হয় এবং বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ইসরায়েলের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা পরবর্তীতে মন্তব্য করেন যে, ওই মুহূর্তে পরিস্থিতি এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছেছিল যা ২০০১ সালের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার হামলার মতো বড় কোনো ট্র্যাজেডির আশঙ্কা জাগিয়ে তুলেছিল।

তবে সৌভাগ্যবশত সে সময় বিমানের যাত্রীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন পেশাদার পাইলট উপস্থিত ছিলেন যারা সাহসিকতার পরিচয় দেন। তারা দ্রুত ককপিটে প্রবেশ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন এবং অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে বিমানটিকে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করান। বিমানটি মাটিতে নেমে আসার পর যাত্রীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন এবং অনেকে আনন্দে ফেটে পড়েন। আন্তর্জাতিক ও সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে নিশ্চিত করেছে যে এটি কোনো পরিকল্পিত সন্ত্রাসী বা বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনা ছিল না, বরং ককপিটের ভেতরে দুই পাইলটের মধ্যকার ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের চরম বহিঃপ্রকাশ মাত্র।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com