• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ডিবি পরিচয়ে ফোন, পরে নিখোঁজ হন ফটোসাংবাদিক বাদল দাস নিট কাপড় আমদানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল সরকার ঘোড়ার গাড়িতে করে ‘শেলাফী খালাকে’ রাজকীয় বিদায় দিলেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মাইকিং, পোস্টার ও লিফলেট বিলি, পরে পুলিশের অভিযানে বিড়াল উদ্ধার কিরিচ হাতে কিশোর গ্যাংয়ের টিকটক ভিডিও, সেই কিরিচেই সপ্তাহখানেকের মধ্যে হত্যাকাণ্ড সমুদ্র থেকে খালে ঘুরছে হাঙর, দেখতে ভিড় ৬ লাখ মানুষের ৪০৫ রানের পাহাড় টপকাতে হবে ভারতকে ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৪২ প্রাণিচিকিৎসকের কাছে যাচ্ছেন? যাওয়ার আগে কিছু বিষয় জেনে রাখুন জার্মানিতে ভক্সওয়াগনের কারখানাকে ইসরাইলি অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রে রূপান্তর

নিট কাপড় আমদানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল সরকার

Reporter Name / ৯ Time View
Update : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রপ্তানিমুখী পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের কাঁচামাল আমদানির প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমদানি নীতি আদেশে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী আনা হয়েছে। এর ফলে দেশের পোশাক কারখানাগুলোর জন্য বৈশ্বিক বাজার থেকে খুব সহজেই প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। মূলত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বর্তমান প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম গতিশীল রাখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে বলবৎ থাকা নিট কাপড় আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হয়েছে। ইতিপূর্বে এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকায় পোশাকশিল্পের স্বাভাবিক উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে জোরালো দাবি জানিয়েছিল তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ। উদ্যোক্তাদের এই যুক্তির কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শেষ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞাটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়। একই সঙ্গে হোসিয়ারি ও নিটেড পোশাক তৈরির ক্ষেত্রে সুতা এবং নিট ফেব্রিক আমদানিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি নেওয়ার দীর্ঘমেয়াদি বাধ্যবাধকতাও বাদ দেওয়া হয়েছে।

নতুন এই আদেশে কাপড় আমদানির প্রচলিত শর্তগুলোও যথেষ্ট শিথিল করা হয়েছে। আগে নির্দিষ্ট মাপের থান আকারে কাপড় আমদানির যে বাধ্যবাধকতা ছিল, তা পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন থেকে বিশেষায়িত পোশাক যেমন কৃত্রিম তন্তুর সীমলেস স্পোর্টসওয়্যার, উচ্চমূল্যের ফ্যাশন আইটেম এবং ফাংশনাল পোশাকের কাপড় কোনো ধরনের আকৃতি বা সাইজের বাধা ছাড়াই আমদানি করা যাবে। তবে এই বিশেষ সুবিধা পাওয়ার জন্য বিজিএমইএ অথবা বিকেএমইএর সুনির্দিষ্ট সুপারিশের প্রয়োজন হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এই যুগোপযোগী পদক্ষেপে পোশাক খাতের উদ্যোক্তাদের আমদানিসংক্রান্ত প্রশাসনিক জটিলতা ও সময় অনেকটাই হ্রাস পাবে। দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে এবং স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাণিজ্য প্রক্রিয়া সহজ করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব নীতিগত সহায়তার ফলে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি পোশাকের প্রতিযোগ সক্ষমতা আরও সুদৃঢ় হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com