• সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ইসরাইলি সরকারের মদদে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর নজিরবিহীন সহিংসতা: ফ্রান্স কোহলির রেকর্ডের রাতে দুর্দান্ত জয় ভারতের জার্মানিকে হারিয়ে চমক গ্রিসের, হাত না মিলিয়ে ইসরায়েলকে হারাল আয়ারল্যান্ড শাকিব, দেবের পর এবার জিতের নায়িকা ইধিকা আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: নীতিমালা নেই, ইচ্ছেমতো ফি বাংলা কিউআর: গ্রাহকের টাকা আটকে গেলে ৩০ মিনিটে ফেরত সরকারি চাকরির আবেদনে বয়সসীমা ৪০ করার দাবিতে মানববন্ধন ভারতে ‘জয় শ্রী রাম’ না বলায় মুসলিম কিশোরকে হামলা, বাড়ি-মসজিদে পাথর নিক্ষেপ ‘শেমলেস’–এ নগ্ন দৃশ্যে অভিনয়ের প্রভাব পড়েছিল এই অভিনেত্রীর ব্যক্তিজীবনেও

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: নীতিমালা নেই, ইচ্ছেমতো ফি

Reporter Name / ৯ Time View
Update : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার ফরম পূরণ ও বিভিন্ন একাডেমিক কার্যক্রমে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় বিভাগভেদে ফি আদায়ের ক্ষেত্রে চরম বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। বিভিন্ন বিভাগে তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক পরীক্ষার ফি থেকে শুরু করে মানোন্নয়ন পরীক্ষার ফি পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে ইচ্ছেমতো। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিন্ন ভিন্ন বিভাগে ফি নেওয়ার এই তারতম্যের কারণে শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত আর্থিক ও মানসিক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এখানে ১২টি অনুষদের অধীনে মোট ৫৯টি বিভাগ রয়েছে এবং প্রায় প্রতিটি বিভাগই নিজেদের মতো করে বিভিন্ন খাতের ফি নির্ধারণ করে আসছে। ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বিভিন্ন বিভাগের ফরম পূরণের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তত্ত্বীয় পরীক্ষার ফি কোথাও ৫০ টাকা আবার কোথাও ১০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া মৌখিক পরীক্ষার জন্য অধিকাংশ বিভাগ ৫০ টাকা করে ফি নিলেও ব্যবহারিক পরীক্ষার ক্ষেত্রে চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। কিছু বিভাগে ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য ঘণ্টাপ্রতি ২০ টাকা নেওয়া হলেও চারুকলা অনুষদে এই ফি নেওয়া হয় ঘণ্টাপ্রতি ১০০ টাকা পর্যন্ত। আবার কোনো কোনো বিভাগে সম্পূর্ণ প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার ফি বাবদ ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। এর বাইরে বিভাগীয় উন্নয়ন ফি, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন সমিতির নামেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

নন-কলেজিয়েট ও ডিস-কলেজিয়েট শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগের বিষয়টিও বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত ৫০০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও কোনো কোনো বিভাগ ১০০০ থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত ফি আদায় করছে। এমনকি ডিস-কলেজিয়েট শিক্ষার্থীদের নিয়মবহির্ভূতভাবে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়ার মতো অভিযোগও পাওয়া গেছে। তবে ফাইন্যান্স বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক এ এস এম কামরুজ্জামান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন যে, এই বিষয়ে তার সুনির্দিষ্ট জানা নেই। অন্যদিকে মানোন্নয়ন পরীক্ষার ক্ষেত্রে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত ফি আদায়ের বিষয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়ন পরীক্ষা থেকে নিরুৎসাহিত করতেই এই ফি কিছুটা বাড়ানো হয়েছে।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের প্রধান অধ্যাপক হাসনাত কবির জানান, সাধারণত কোর্সের ধরন এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা আছে কি না— এসব বিষয় বিবেচনা করেই বিভাগগুলো পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করে থাকে। তবে এই লাগামহীন ফি আদায়ের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নজরে এসেছে এবং এ নিয়ে বিভিন্ন মহले সমালোচনা শুরু হয়েছে। ব্যবসায় অনুষদের ডিনের দায়িত্বে থাকা উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম এবং উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুনুর রশীদ জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনো বিভাগে নিয়মের বাইরে কিছু হয়ে থাকলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তারা আশ্বস্ত করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com