• সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সরকারি চাকরির আবেদনে বয়সসীমা ৪০ করার দাবিতে মানববন্ধন ভারতে ‘জয় শ্রী রাম’ না বলায় মুসলিম কিশোরকে হামলা, বাড়ি-মসজিদে পাথর নিক্ষেপ ‘শেমলেস’–এ নগ্ন দৃশ্যে অভিনয়ের প্রভাব পড়েছিল এই অভিনেত্রীর ব্যক্তিজীবনেও প্রিজনভ্যান থেকে পালিয়েছেন মোহাম্মদপুরের ‘পিচ্চি রাজা’ কাশিমপুর কারাগারে নেওয়ার পথে শৌচাগারের কথা বলে পালালেন পিচ্চি রাজা শেষ ম্যাচে বিশাল জয়ে সিরিজ নিজেদের করে নিল ইংল্যান্ড ইরানের সাত দিনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, উল্টো চাপে পড়তে পারেন ট্রাম্প সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যক্ষসহ ১৪ শিক্ষক অবরুদ্ধ সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, অধ্যক্ষসহ ১৪ শিক্ষক অবরুদ্ধ যুক্তরাজ্যে মার্কিন বিমানঘাঁটির কাছ থেকে গ্রেপ্তার ৫, সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ৮৫ বাড়ির লোকজনকে

গণভোটে সুইজারল্যান্ডে আরও কঠোর নিরপেক্ষতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ঐতিহাসিক কূটনৈতিক নিরপেক্ষতার নীতি আরও কঠোর করার লক্ষ্যে সুইজারল্যান্ডে আয়োজিত গণভোটের ফল প্রকাশিত হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দেশটির ৭০ শতাংশের বেশি ভোটার এই কঠোর নিয়ন্ত্রণমূলক প্রস্তাবের বিপক্ষে রায় দিয়েছেন। প্রস্তাবটি পাস হলে জাতিসংঘের সুনির্দিষ্ট অনুমোদন ছাড়া অন্য কোনো দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষেত্রে দেশটির সরকারের ক্ষমতা অনেকটাই সীমিত হয়ে পড়ত। এর ফলে ন্যাটোর মতো সামরিক জোটগুলোর সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের কূটনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারত্ব গড়ে তোলার পথও কঠিন হয়ে যেত।

ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই সুইজারল্যান্ডের বহু পুরোনো নিরপেক্ষতা নীতি নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়। মস্কো এই প্রস্তাবটির পক্ষে নিজেদের প্রকাশ্য সমর্থন জানালেও সুইজারল্যান্ডের ক্ষমতাসীন সরকার এবং প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো এর তীব্র বিরোধিতা করেছিল। ডানপন্থী দল সুইস পিপলস পার্টির উদ্যোগে এই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছিল। গবেষক লুকাস গোল্ডার সংবাদমাধ্যমকে জানান, ভোটাররা নিরপেক্ষতার মৌলিক ধারণাটি বর্জন করেননি, বরং রাশিয়ার ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার পক্ষে তাদের দৃঢ় অবস্থানই এই ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে।

সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইগনাজিও ক্যাসিস গণভোটের পর গণমাধ্যমকে বলেন যে দেশটির নিরপেক্ষতা নীতি কখনোই জড়তা বা নিষ্ক্রিয়তা নয়, বরং এর প্রয়োগ সবসময়ই নমনীয় রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইনের বরখেলাফ বা কোনো আগ্রাসী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে নীরব দর্শক হয়ে থাকা তাদের উদ্দেশ্য নয় বলে তিনি স্পষ্ট করেন। তবে বর্তমান নীতি অনুযায়ী যুদ্ধরত কোনো দেশের কাছেই অস্ত্র সরবরাহ না করার সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন আসছে না এবং ইউক্রেনও এই নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত থাকবে।

উল্লেখ্য, উনিশ শতকের শুরুর দিকে ভিয়েনা কংগ্রেসের মাধ্যমে সুইজারল্যান্ডের চিরস্থায়ী নিরপেক্ষতার নীতি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে এবং পরবর্তী সময়ে হেগ কনভেনশনে এর আইনগত ভিত্তি তৈরি হয়। দেশটির অনন্য সরাসরি গণতন্ত্রের ব্যবস্থায় যেকোনো বড় জাতীয় ও সাংবিধানিক বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নিয়মিতভাবেই এভাবে গণভোটের আয়োজন করা হয়ে থাকে। অতীতের বিশ্বযুদ্ধের সময়েও দেশটি নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছিল, যদিও নাৎসি জার্মানির সঙ্গে অর্থনৈতিক লেনদেন সংক্রান্ত কিছু বিতর্কিত ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের জন্য তারা পরবর্তীতে ক্ষমা প্রার্থনা করেছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bditwork.com